মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাবিতে নিয়োগ বিতর্ক: কী অভিযোগ উঠেছে?

হাফিজুর রহমান পান্না, রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম
রাবিতে নিয়োগ বিতর্ক: কী অভিযোগ উঠেছে?

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব ও তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ এবং নিয়োগে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বে থাকার প্রায় দেড় বছরে শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলিয়ে নিয়োগ দেওয়া ৫১৫ জনের বড় অংশের ক্ষেত্রেই দলীয় বিবেচনা, আত্মীয়তার সম্পর্ক ও রাজনৈতিক পরিচয় প্রাধান্য পেয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, অধ্যাপক নকীবের ৫৫৭ দিনের দায়িত্বকালে ১৫টি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে অন্তত ৪৭৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ১৫৪ জন শিক্ষক, ছয়জন চিকিৎসক, তিনজন কর্মকর্তা এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ৩১৫ জন কর্মচারী। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এত অল্প সময়ে এত বিপুল নিয়োগের নজির খুব কমই রয়েছে।

এসব নিয়োগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও নথিপত্র তলব করেছেন রাবির নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম। অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় সাবেক প্রশাসনের শেষ সময়ে দেওয়া দুটি নিয়োগ বাতিলও করেছে বর্তমান কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে গত ১৮ মাসে সম্পন্ন হওয়া সব নিয়োগের তথ্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও দপ্তর থেকে চাওয়া হয়েছে।

‘শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মচারীসহ ৫১৫ নিয়োগ’ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নকীবের সময়ে বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরে ১৯৫ জন শিক্ষক, ৩১৫ জন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং পাঁচজন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগে স্বচ্ছতা, যোগ্যতা যাচাই ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে অভিযোগ ও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষত, দৈনিক মজুরিভিত্তিক ৩১৫ জন কর্মচারীর নিয়োগ নিয়েই বেশি সমালোচনা রয়েছে। দৈনিক ৭৫০ টাকা হারে বেতন-ভাতা পাওয়া এসব কর্মচারীকে রাবির বিভিন্ন দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ‘জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণ’-এর বিষয়টি সামনে এনে এই নিয়োগ দেওয়া হলেও বাস্তবে রাজনৈতিক আনুগত্য ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

‘আত্মীয়করণ ও শ্বশুরকে গোপন নিয়োগ’ রাবির দায়িত্বশীল কয়েকটি সূত্রের দাবি, সাবেক উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মাঈন উদ্দীন প্রথমদিকে নিজের জেলা ফেনীর দাগনভূইঞা থেকে দুজনকে নিয়োগ দেন। নিয়োগ তালিকার শুরুতেই থাকা আবু বকর সিদ্দিক ও শাহরিয়ার তামিম নামের ওই দুজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা গেস্ট হাউজে পদায়ন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে তাঁদের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা রয়েছে। বিদায়ের আগে ২৮ মার্চ অনেকটা নীরবে পরিবহন দপ্তরে আরও দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব বিষয়ে রাবির সাবেক উপাচার্য ড. সালেহ হাসান নকীবের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

‘বৈষম্যবিরোধী’ পরিচয়ের আড়ালে দলীয়করণ’ বিগত আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে সরব অবস্থানে থেকে নেতৃত্ব দেন ড. নকীব। সেই সময়ের ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে' শিক্ষার্থীদের পাশে রাজপথেও ছিলেন তিনি। সরকার পতনের পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতাদের সুপারিশে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এই অধ্যাপক। কিন্তু উপাচার্য হওয়ার পর থেকেই ড. নকীব ছাত্রনেতাদের প্রভাব বলয়ে চলে যান এবং তাদের বিভিন্ন আবদার পূরণে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিতে থাকেন- এমন অভিযোগ উঠেছে। রাবির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের ব্যক্তি ও সমর্থকদের পুনর্বাসনের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অধ্যাপক নকীবের এসব কার্যক্রমকে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতি হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গণআন্দোলন পরবর্তী সময়ে শুধুমাত্র দলীয় পরিচয় বহনকারীদেরই বিশেষ সুবিধা দিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন সময়ে অ্যাডহক নিয়োগের মাধ্যমে ‘রাতের আঁধারে’ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ দিতেও দেখা গেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতিটি দিনই নজীরবিহীন স্বজনপ্রীতি করেছেন অধ্যাপক নকীব। প্রতিটি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাই।'

রাবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীবের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে পারিবারিক প্রভাব বিস্তারেরও। দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর সিন্ডিকেটের ৫৩৫তম সভায় তাঁর শ্বশুর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. এ কে এম আজহারুল ইসলামকে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিজের আত্মীয়কে এভাবে নিয়োগে প্রশ্নও তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনেকে।

‘স্বচ্ছতার জবাবদিহিতার অভাব’ কয়েকজন শিক্ষকের অভিযোগ, বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগেও অনিয়ম হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, কিছু বিভাগে নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। মেধা তালিকা চূড়ান্তকরণ থেকে বিশেষজ্ঞ মতামত- সব ক্ষেত্রেই অসঙ্গতির অভিযোগ রয়েছে।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী রাজনীতিতে সক্রিয় ইউট্যাবের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, ‘অধ্যাপক নকীব প্রশাসনের নিয়োগে স্বচ্ছতার অভাব ছিল। অনেক বিভাগের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করতেও দেখেছি। নতুন প্রশাসন এসব বিষয়ে তলব করেছে। কোনো নিয়োগে অস্বচ্ছতা থাকলে, তা তদন্তেই বের হয়ে আসবে।’

উর্দু বিভাগের একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘বিগত নকীব প্রশাসন জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্টদেরকে নিয়োগ দিতে নানা আয়োজন করেছে। উপাচার্যের নিজ বিভাগেও শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। তিনটি পদের বিপরীতে ১৮ জনের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। আবার চূড়ান্ত শিক্ষক মেধা তালিকায় বিশেষজ্ঞ শিক্ষকের স্বাক্ষর ছাড়াই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন শিক্ষক বলেন, ‘আমাদের আশা ছিল, আওয়ামী লীগর সরকারের পতনের পর আর কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি হবে না। কিন্তু আমরা বিগত নকীব প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনেক অনিয়মের দেখা পেয়েছি। তিনি তার শ্বশুরকেও নিয়োগ দিয়েছেন। এর চেয়ে আর স্বজনপ্রীতি কি হয়? ’

‘বর্তমান প্রশাসনের অবস্থান’ সবগুলো নিয়োগ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, গত ১৮ মাসে কোথায়, কতজন, কী প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পেয়েছেন- এসব তথ্য জানা প্রয়োজন। সব বিভাগ ও দপ্তর থেকে তথ্য আসার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

‘নিয়োগ বিষয়ে কারা কী বলছেন’ রাবির সাম্প্রতিক নিয়োগ কার্যক্রম নিয়ে ওঠা এসব অভিযোগ এখন বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তথ্য যাচাই ও তদন্ত শেষে প্রকৃত চিত্র সামনে এলে বিতর্কিত নিয়োগের পেছনের বাস্তবতা আরও স্পষ্ট হবে বলেও মনে করছেন অভিযোগকারীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশের দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও মেধার পরিবর্তে দলীয় প্রভাব ও আত্মীয়করণ গুরুত্ব পেয়েছে। তাদের মতে, বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, নিয়োগ বাণিজ্য করে সালেহ্ হাসান নকীব অন্তত শতকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দিয়েছেন জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিতে যুক্তদের। ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার ও বিশেষ এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য জামায়াতের মতাদর্শীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন ভবনকে তিনি ‘নিয়োগের কারখানা’ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, শুধু নকীব স্যারকে দায়ী করা হচ্ছে, কিন্তু নিয়োগ বোর্ডে আরো সদস্য থাকেন। প্রশাসন আমাদের বলেছিল, তারা কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে হাত দেবে না। কিন্তু বর্তমান উপ-উপাচার্য মাঈনউদ্দিন স্যার তাঁর গ্রামের বাড়ি ফেনী থেকে লোক এনে চাকরি দিয়েছেন। তাদের যোগ্যতা কী? এই যে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ হয়েছে, এটা নিয়ে আমার যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। এই নিয়োগগুলো কীসের ভিত্তিতে হয়েছে?

এ বিষয়ে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, তার সময়ে কোনো অনিয়ম হয়নি এবং অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। (রাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেছেন, এক ‘ছাত্রনেতা’ অভিযোগ করেছে, শতকোটি টাকা না কি হাতিয়ে নিয়েছি। শতকোটি নয়, একশত, একশত নয়, এক পয়সা, দেখাক না কেন? কেয়ামত তক সময় দিলাম। রবিবার (৩ মে) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুক এক পোস্টে এমন চ্যালেঞ্জ করেন তিনি।

এসব নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, কিছু কিছু নিয়োগে কোনো রকম নিয়মনীতি মানা হয়নি। রেজিস্ট্রারকে এড়িয়ে ভিসি, প্রো-ভিসি সরাসরি অনেক নিয়োগ দিয়েছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা চেয়েছিলাম প্রতিটি নিয়োগ সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে হবে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই মেধা বিবেচনায় নিয়োগ হয়নি। এসব বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় মেধাবীরা বঞ্চিত হবে এবং প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

যশোরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, চাকু উদ্ধার

কালীগঞ্জে সর্বত্র মাদকের রমরমা ব্যবসা / হুমকির মুখে যুবসমাজ, আতঙ্কে অভিভাবকরা

২০২৬-২৭ বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে

দেশের ১৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

নড়াইলে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, ২ মাসের কারাদণ্ড

স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে!

আদিতমারীতে তুচ্ছ বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

X