রবিবার
১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

এখন দরকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পূণর্বাসন

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম

অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৩২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১০ হাজার ৮৫৪ জন। মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। মন্ত্রণালয়ের সারসংক্ষেপে বন্যাপ্লাবিত উপজেলার সংখ্যা ৫৯টি বলা হলেও জেলাভিত্তিক তালিকার মোট হিসাবে ৫৭ উপজেলা উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন ৩৩৪ এবং পৌরসভা ১২। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। জেলাটিতে ৩১ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ১৮ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। সেখানে আহত হয়েছেন ২৪ জন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন। চট্টগ্রামে ১৫ জনের মৃত্যু ও ১২ জন আহত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে। বান্দরবানে ছয় জন, রাঙামাটিতে তিন জন এবং মৌলভীবাজারে একজন মারা গেছেন। খাগড়াছড়িতে একজন এবং বান্দরবানে দুজন আহত হয়েছেন। বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চট্টগ্রামে ৭০ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে তিন হাজার ১৪০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। রাঙামাটির ৪০ কেন্দ্রে তিন হাজার ১৫৮ জন, বান্দরবানের ৫৪ কেন্দ্রে দুই হাজার ৫৮৪ জন এবং মৌলভীবাজারের ১০ কেন্দ্রে এক হাজার ৭৪৫ জন অবস্থান করছেন। খাগড়াছড়িতে তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৪ জন এবং কক্সবাজারে তিনটি কেন্দ্রে ১৯৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। হবিগঞ্জে দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলার তথ্য থাকলেও সেখানে আশ্রিত মানুষের সংখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। জেলাভিত্তিক হিসাবে মোট ৩২৯ আশ্রয়কেন্দ্রে ১০ হাজার ৮৫৪ জন আশ্রয় নিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের মহানগরসহ ১৬টি উপজেলায় আংশিক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জেলার ১২২ ইউনিয়ন বা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্সবাজারের ১০ উপজেলার ৭১ ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা, রাঙামাটির ৯ উপজেলার ৪৩ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা এবং বান্দরবানের সাত উপজেলার ৩৪ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা দুর্যোগের কবলে পড়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৭ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য মোট এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং তিন হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটায় এখন দরকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে দ্রুত পূণবার্সন করা। তা করা গেলে ক্ষতির ক্ষত দুর করা সম্ভব।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার রাজস্বের পথে ফিফা

রাজনৈতিক পক্ষপাতমুক্ত থেকে জনসেবায় কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সীতাকুণ্ডে জোনাকি পরিবহনের বাস উল্টে নিহত ১, আহত ৬

রাজশাহী নির্বাচন অফিসে ১৪৩ কর্মী নিয়োগে ঘুষের অভিযোগ

আগামী পাঁচ দিন সারাদেশে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

পেলের রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়লেন মাইকেল অলিসে

‘এমন জবাব পাবে যা কখনো ভুলতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র’

বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাস বদলাতে পারবে আর্জেন্টিনা?

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে শেখ হাসিনাসহ ৪১ জন আসামি

জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তি বন্ধের আহ্বান মির্জা ফখরুলের

হঠাৎ ফেসবুক ডাউন, বিপাকে ব্যবহারকারীরা

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

দেশের সাত জেলায় ঝড়ের আভাস

‘আর্জেন্টিনার ফাউল ও আচরণ শাস্তি ছাড়াই পার পেয়ে যায়’

যশোরে র‍্যাবের অভিযানে ভারতীয় নিষিদ্ধ সিরাপসহ তিনজন আটক

মেসির শেষ বিশ্বকাপের ‘শেষ নৃত্য’ বুট, দাম কত?

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

যশোরে বসতবাড়ি ভেঙে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগ

বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম শো মাতাবেন ম্যাডোনা, শাকিরা, বিবার ও বিটিএস

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: সেরা অভিনেতা কার্তিক-মামুট্টি, অভিনেত্রী ইয়ামি

X