
ইরানের মেয়েদের একটি স্কুলে হামলা চালিয়ে দেড় শতাধিক শিশুকে হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তদন্তের কথা বলছে জাতিসংঘ। তবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের মধ্যে স্কুলটি গুড়িয়ে দেওয়া হলেও হামলায় জড়িত কোনো দেশের নামোল্লেখ করেনি সংস্থাটি। স্কুলটিতে ভয়াবহ হামলার তথ্য শেয়ার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের মুখপাত্র রভিনা শামদাসানি বলেন, “হাই কমিশনার (ভলকার তুর্ক) এই হামলার পরিস্থিতির ওপর একটি দ্রুত, নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে যে, ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রথম দিন শনিবার ১৬০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। সেদিনই ইরানের স্কুলটিতে হামলা চালানো হয়।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত লেবাননে ছড়িয়ে পড়ার কারণে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার জবাবে ইসরেলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ভারী বিমান হামলা ও স্থল অভিযান পরিচালনা করে।
এফপির খবর অনুযায়ী, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র বাবার বালচ জানান, ‘রক্ষণশীল অনুমান’ অনুযায়ী প্রায় ৩০ হাজার মানুষ শেল্টারে আশ্রয় পেয়েছে ও নিবন্ধিত হয়েছে, আর অনেককে সড়কের পাশে গাড়িতে রাত কাটাতে হয়েছে।
মঙ্গলবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, তিনি ও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আইডিএফকে লেবাননের অতিরিক্ত এলাকায় অগ্রসর হয়ে দখল করার অনুমতি দিয়েছেন, যাতে আরও কোনো রকেট ইসরায়েলের সীমান্ত এলাকায় না নিক্ষিপ্ত হয়।
জাতিসংঘের এসব উদ্বেগ প্রকাশের মধ্যেই সবকিছু সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি যুদ্ধ বন্ধে সংস্থাটি কোনো ভূমিকা রাখবে তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বিশ্ববাসীর ভেতরে।
মন্তব্য করুন