
বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর বের হয়েছে, নির্বাচন সামনে রেখে শান্তিপূর্ণ সমাবেশও ‘সহিংসতায় রূপ নিতে পারে’-এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করেছে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। গত সোমবার দূতাবাসের পক্ষ থেকে সারা বাংলাদেশের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী সংসদীয় নির্বাচন এবং গণভোটের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিন সামনে রেখে ঘনঘন এবং তীব্র রাজনৈতিক সমাবেশ ও বিক্ষোভ হতে পারে। “যুক্তরাষ্ট্র নাগরিকদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, শান্তিপূর্ণ সমাবেশও বিরোধপূর্ণ হতে এবং সহিংসতায় রূপ নিতে পারে।” এক্ষেত্রে নাগরিকদেরকে পরিপার্শ্ব নিয়ে সতর্কতা, স্থানীয় গণমাধ্যমে নজর দেওয়া এবং ভিড় ও বিক্ষোভের এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস। বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। সোমবার দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ সতর্কতা জারি করা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষণা দিয়েছে পরবর্তী সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় গণভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের তারিখ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক সমাবেশ ও বিক্ষোভ আরও ঘন ঘন এবং তীব্র হয়ে উঠতে পারে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন নাগরিকদের সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভও যেকোনো সময় সংঘর্ষ ও সহিংসতায় রূপ নিতে পারে। তাই মার্কিন নাগরিকদের বিক্ষোভ এড়িয়ে চলতে এবং বড় সমাবেশের আশপাশে অতিরিক্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন দূতাবাস আরও যে পরামর্শ দিয়েছে, সেগুলো, আশপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকা, নিয়মিত স্থানীয় সংবাদমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা, ভিড় এড়িয়ে চলা এবং যেকোনো ধরনের বিক্ষোভ থেকে দূরে থাকা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে অবস্থানকারী তাদের নাগরিকদের সতর্কতা দিতেই পারে। তবে আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশে অতিসম্প্রতি যেসব ঘটনা ঘটেছে, তার চেয়েও অনেক বড় বড় ঘটনা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, এমনকি আমেরিকাতেও ঘটে চলেছে। কিন্তু এমন সতর্কতার ঘোষণা সেসব ক্ষেত্রে দেখতে পাইনে। আমরা সব ক্ষেত্রে সমান দৃষ্টিভঙ্গি দেখতে চাই।
মন্তব্য করুন