
চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। যে কারণে ডেঙ্গু ক্রমেই মারাত্মক আকার ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে ৪৫৫ জন ডেঙ্গুরোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এছাড়াও গতকাল খবরে আরও তিনজনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১০৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৫ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩২ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৮ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন, সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছয়জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৮ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
চলতি বছরে এ যাবত মোট ৯৬ হাজার ২৩২ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৯৮ হাজার ২৮৪ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক চার শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ছয় শতাংশ নারী রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ৩৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। বর্তমানে ডেঙ্গু মোকাবেলায় রুটিন ওয়ার্ক ছাড়া আর কিছু চোখে পড়ার মতো পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে গেলে তখন রুটিন ওয়ার্ক চলছে। মূলতঃ ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় কার্যকর উদ্যোগ জরুরি।
মন্তব্য করুন