
একসময় বই উৎসব বলে একটি উৎসব দারুণরকম সাড়া ফেলেছিলো। সেসময় নতুন বছরের প্রথম দিন, মানে পহেলা জানুয়ারি মানেই শিশুদের হাতে নতুন বই, নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নেয়া। তবে, সে উৎসব এবার হচ্ছে না। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষার নতুন পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ কার্যক্রম প্রায় শেষ। জেলা পর্যায়ে বেশিরভাগ বই পৌঁছে গেছে। জানুয়ারির শুরুতেই শিক্ষার্থীরা সব বই হাতে পাবে। কোনো উৎসব বা অনুষ্ঠান করে বই বিতরণ করা হবে না। বই সরাসরি প্রতিটি বিদ্যালয়ে পৌঁছে যাবে।’ শনিবার কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, ‘যে শিক্ষক মূল দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন না, তাকে শিক্ষক বলা যায় না। তবে যারা দায়িত্বের সঙ্গে শিক্ষাদান করছেন, তাদের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা এবং তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সব সময় পাশে থাকবো।’ জেলা প্রশাসক এমএ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নুর মো. শামসুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। আমরা মনে করি, নতুন বই যখন যথাসময়ে ছাপানো হয়েছে। দেশে এই মুহূর্তে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগও নেই। তাহলে বই উৎসব হতে সমস্যাটা কোথায়? শিশুদের জন্যে এই উৎসবটি করা যায় কী না, তা সংশ্লিষ্টদের ভেবে দেখা দরকার।
মন্তব্য করুন