
পত্রিকান্তরে খবর বের হয়েছে, ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস-এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ডিসেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজির দাম দাম পড়বে ১ হাজার ২৫৩ টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ছে ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা। মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে এলপিজির মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনন বিইআরসি। এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দর কার্যকর হবে। নভেম্বর মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ঠিক করা হয়েছিল ১ হাজার ২১৫ টাকা, যা ছিল তার আগের মাসে চেয়ে ২৬ টাকা কম। এবার সেটা অক্টোবরকে ছাড়ালো। ডিসেম্বর মাসের জন্য যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়েছে কমিশন। প্রতি লিটারে ১ টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে মূসকসহ অটোগ্যাসের নতুন দাম ঠিক করা হয়েছে ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা। নভেম্বরে প্রতি লিটারের দাম ছিল ৫৫ টাকা ৫৮ পয়সা ছিল, যা ছিল তার আগের মাসের চেয়ে ১ টাকা ১৯ পয়সা কম। এলপিজির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি আরামকোর কার্গো মূল্যকে (সিপি) ভিত্তিমূল্য ধরে বিইআরসি দেশের বাজারে এলপিজির দাম সমন্বয় করে। এবার প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সিপি ৪৮৮ দশমিক ৫০ ডলার বিবেচনায় নিয়ে নতুন দর ঠিক করেছে বিইআরসি। এর আগের মাসে এই দর ছিল ৪৬৫ টাকা ২৫ পয়সা। তার মানে এক মাসের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম বেড়েছে প্রতিটনে প্রায় ২৩ ডলার। এসব বিবেচনা ব্যবসায়ীরা করলেও আমাদের বক্তব্য সরকারের প্রতি। আমরা বলতে চাই, সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ইতিমধ্যেই বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতাও অনেক কমে গেছে। এ সময় গ্যাসের দাম বাড়ানো কি খুব জরুরি ছিলো? এসময় জ্বালানি গ্যাসের দাম বাড়ানো মানে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও একটু বাড়িয়ে দেয়া। সরকারকে বিষয়টি বিবেচনা করা দরকার।
মন্তব্য করুন