মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা অফিস
প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:১৫ পিএম
শেখ হাসিনা ।  ফাইল ফটো

মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের কাজে চুক্তিগত অনিয়ম, দরপত্র কারসাজি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। আদালতে শুনানি শেষে আবেদনটি মঞ্জুর করা হয়।

দুদকের সহকারী পরিচালক তানজিল হাসান এদিন দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। এর আগে গত ১২ অক্টোবর দুদক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করে।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওবায়দুল কাদের ও আনিসুল হক। এছাড়া সাবেক প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব ফারুক জলিল, উপসচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিমও অভিযুক্ত।

অন্যদের মধ্যে রয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী ফিরোজ ইকবাল ও ইবনে আলম হাসান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আফতাব হোসেন খান ও আবদুস সালাম এবং সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ সালে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের জন্য পূর্ববর্তী দরপত্রটি ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল করা হয়। পরে একক উৎসভিত্তিক দরপত্র আহ্বান করে শুধু সিএনএস লিমিটেডের সঙ্গে আলোচনা করে পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি সম্পাদন করা হয়।

চুক্তিতে নির্দিষ্ট অঙ্ক নির্ধারণের পরিবর্তে মোট টোল আদায়ের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ (ভ্যাট ও আয়কর বাদে) হারে সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ করা হয়, যা রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পরিপন্থী বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০–১৫ মেয়াদে একই সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্বে থাকা এমবিইএল-এটিটি মাত্র ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা নিয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২২–২৫ মেয়াদে ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেডকে ৬৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় কাজটি দেওয়া হয়, যা পাঁচ বছরে হিসাব করলে দাঁড়ায় ১১২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

এর তুলনায় সিএনএস লিমিটেড একই মেয়াদের জন্য প্রায় পাঁচ গুণ বেশি অর্থ বিল করে এবং তথাকথিত ‘নতুন প্রযুক্তি স্থাপন ও অবকাঠামো ব্যয়’ দেখিয়ে অতিরিক্ত ৬৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা দাবি করে। এতে সরকারের মোট আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এসব অভিযোগ দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একনেক সভায় ১০ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন

জামায়াতের ৮.৩৯ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাব

পুরুষ বন্ধুদের কাছ থেকে উপহার পেতে আনুশকার অস্বস্তি!

মণিরামপুরে নাতনীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা, আটক-১

তথ্য উপদেষ্টা / স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয়, থাকবে না দলীয় প্রতীক

যশোরসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

যশোরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, চাকু উদ্ধার

X