
‘অসদাচরণের’ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার মো. খায়রুজ্জামান মণ্ডলকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়।
২৭ নভেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনের ভাষ্যমতে, মো. খায়রুজ্জামান মণ্ডলের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩ (খ) মোতাবেক ‘অসদাচরণের অভিযোগে (০১/২০২৩) বিভাগীয় মামলা করা হয়। এরপর কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না— সে মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়। কিন্তু তিনি ওই কারণ দর্শানোর নোটিশের কোনো জবাব দেননি। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. খায়রুজ্জামান মণ্ডলের বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণের’ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মো. খায়রুজ্জামান মণ্ডলকে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করে কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না সে মর্মে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। অভিযুক্ত কর্মকর্তা ওই কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে প্রস্তাবিত শাস্তির বিরুদ্ধে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
পরবর্তীতে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে ‘চাকরি থেকে বরখাস্ত' করার সিদ্ধান্তের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ে পত্র পাঠানো হলে কমিশন এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি পরীক্ষা করে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার (বর্তমানে নিবন্ধন অধিদপ্তরে সংযুক্ত কর্মকর্তা) মো. খায়রুজ্জামান মণ্ডলকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪(৩) (ঘ) অনুযায়ী ‘চাকরি থেকে বরখাস্ত’ শীর্ষক গুরুদণ্ড প্রদানে আইন ও বিচার বিভাগের সিদ্ধান্তের সাথে একমত পোষণ করেছে। তাই সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) মোতাবেক ‘অসদাচরণের’ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধিমালার বিধি ৪(৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে ‘চাকরি থেকে বরখাস্ত’ করা হলো।
মন্তব্য করুন