
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে সাথী আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার ভাগনে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের পর কয়েক ঘণ্টা মরদেহের পাশেই ধারালো অস্ত্র হাতে অবস্থান করেন অভিযুক্ত। এ সময় নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্টোরিও দেন তিনি।
রোববার (২৪ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার কাটিগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাথী আক্তার স্থানীয় প্রবাসী শুকুর আলীর স্ত্রী। অভিযুক্ত রিপন মিয়া (২০) সম্পর্কে শুকুর আলীর ভাগনে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিপন গাড়ি চালানো শেখার পাশাপাশি গাড়ি ধোয়ার কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, রাতে বাড়ির ভেতরে সাথী আক্তারের সঙ্গে রিপনের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাথীর গলায় আঘাত করেন তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই সাথী আক্তারের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
হত্যার পর রাত ১১টা পর্যন্ত ঘরের দরজা ভেতর থেকে আটকে মরদেহের পাশেই বসে ছিলেন রিপন মিয়া। স্থানীয়দের দাবি, এ সময় তার হাতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র ছিল।
ঘরে অবস্থানকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্টোরিও দেন রিপন। সেখানে লেখা ছিল, ‘জীবনের লাস্ট স্টোরি, আমাকে মাফ করে দিয়েন।’
খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন এবং রিপন মিয়াকে আটক করেন।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম হোসেন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে রিপন মিয়াকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন