
দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কাঠামোগতভাবে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, চিকিৎসা ব্যবস্থার চাপ কমাতে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
শনিবার (২ মে) সিলেট নগরের সুরমা নদীর দুই তীরের সৌন্দর্যবর্ধন ও বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের পর নগর ভবনে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত এই কর্মসূচির আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি বড় অংশ নারী হবেন। তারা গ্রাম পর্যায়ে গিয়ে পরিবারভিত্তিক স্বাস্থ্যসচেতনতা গড়ে তুলবেন।
তিনি আরও জানান, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন পদ্ধতি, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সরাসরি পরামর্শ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দেশের অনেক অঞ্চলে এখনো মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পুরোপুরি পৌঁছায়নি। এ বাস্তবতায় শুধু হাসপাতাল ও চিকিৎসক বাড়ালেই সমস্যার সমাধান হবে না; বরং অসুস্থ হওয়ার আগেই মানুষকে সচেতন করা জরুরি।
সরকারপ্রধানের মতে, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্ব দিলে অসুস্থ মানুষের সংখ্যা কমবে। এতে হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ হ্রাস পাবে এবং যারা চিকিৎসা নিতে আসবেন, তারা আরো উন্নত সেবা পাবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চায় এবং এ লক্ষ্যেই এই বৃহৎ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন