
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে শেষ দুই দিনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা এখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
বিমানবন্দর সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শুক্র ও শনিবার এই দুই দিনে মোট ১০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ১টি ফ্লাইট এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ৪টি ডিপার্চার ফ্লাইট রয়েছে। একই সময়ে এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটের ৪টি (২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার) ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
ফ্লাইট বাতিলের তালিকা থাকলেও শেষ দুইদিনে ২৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি অ্যারাইভাল এবং ১১টি ডিপার্চার ফ্লাইট ছিলো। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলো এখন ধীরে ধীরে নিয়মিত হচ্ছে।
শাহ আমানত বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এ পর্যন্ত এই বিমানবন্দরে মোট ২৯৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতির যে উন্নতি দেখা যাচ্ছে, তাতে দ্রুতই সব রুটে ফ্লাইট চলাচল আগের অবস্থায় ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোও তাদের কার্যক্রম ধাপে ধাপে সচল করছে।
মন্তব্য করুন