
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার ফেরি ঘাট থেকে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও দায়ী ব্যক্তিদের সনাক্তকরণে গঠিত নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলাম অন্য পাঁচ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে দুর্ঘটনাস্থল ৩ নম্বর ফেরিঘাট পরিদর্শন করেন।
পরে তদন্ত কমিটি দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালে রাখা সৌহার্দ্য পরিবহনের দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিও পরিদর্শন করেন।
এ সময় বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ ও বিআরটিএ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলে তদন্ত কমিটি।
পরে কমিটির আহ্বায়ক নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলাম বলেন, “নির্ধারিত সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরণের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়ানোর বিষয়ে প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হবে।”
এ সময় গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস, বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার এজিএম মো. সালাহউদ্দিনসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ‘সৌহার্দ্য পরিবহনের’ একটি বাস দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে পড়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যায়।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। এরপর বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
প্রথমে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর ক্রেন দিয়ে যখন বাসটি তোলা হলো তখন সংখ্যাও বাড়তে থাকে।
সবশেষ এ দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধার কার্যক্রম চালানো সংস্থার কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন