
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নে ঈদের নামাজ শেষে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে। খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, ধারালো অস্ত্র ও ইট-পাটকেল ব্যবহারে অনেকেই গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ওবায়দুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, গোপীনাথপুর গ্রামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর পক্ষের সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্রামের সাজ্জাদ হোসেন লিটন মাতুব্বরের লোকজনের দুই দিন আগে চা পানকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে আগের রাতে প্রথম দফা সংঘর্ষ হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ঈদের নামাজ শেষে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও এক নারীকে নিয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি সংক্রান্ত বিরোধে উভয় পক্ষ আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালে একাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে জানান তিনি। পরে পুলিশ অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নতুন করে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশের টহল ও মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন