
চৌগাছায় আপন চাচা কর্তৃক ভাইপোর দশকাঠা জমির পেয়ারা বাগান কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের আরজি সুলতানপুর গ্রামের মাঠে ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ফলচাষি চাচাকে অভিযুক্ত করে চৌগাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা গেছে, দেবীপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে পিন্টু মিয়া (৩৭) স্থানীয় মাঠে ১০ কাঠা জমিতে পেয়ারার চাষ করেন। ইতোমধ্যে ওই বাগান হতে তিনি পেয়ারা বিক্রিও শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টার দিকে একই গ্রামের মোফাজ্জেল হোসেন জমির সমুদয় পেয়ারা গাছ ধারালো দা দিয়ে কেটে সাবাড় করে দিয়েছেন। খবর পেয়ে পেয়ারা চাষি পিন্টু মিয়া জমিতে ছুটে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
থানার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দেবিপুর গ্রামের মৃত মিনাজ উদ্দিন মন্ডলের ছেলে মোফাজ্জেল হোসেনের সাথে তার আপন ভাই রবিউল ইসলামের জমি ভাগবন্টন নিয়ে দীর্ঘদিনেরন বিরোধ চলে আসছে। রবিউল ইসলাম বিষয়টি আপোষ মিমাংশা করতে চাইলেও মোফাজ্জেল হোসেন নারাজ। এরই মধ্যে রবিউল ইসলামের ছেলে পিন্টু মিয়া পিতার নিকট হতে ১০ কাঠা জমি নিয়ে সেখানে পেয়ারা চাষ করেন এবং বাম্পার ফলন আসে। জমি ভাগবন্টনের সূত্র ধরে পিন্টুর আপন চাচা মোফাজ্জেল হোসেন বৃহস্পতিবার সকালে ওই পেয়ারা বাগানে যেয়ে জমির সমুদয় গাছ কেটে দেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোফাজ্জেল হোসেনের সাথে মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী কৃষক পিন্টু মিয়া বলেন, মোফাজ্জেল আমার আপন চাচা। বাবার সাথে জায়গা জমি নিয়ে তার বিরোধ। কিন্তু সে আমার ১০ কাঠা পেয়ারা বাগান কেটে সাবাড় করে দিয়েছে। এ বিষয়ে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসান বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই এমন একটি খবর পেয়েছি, বাগান কেটে সাবাড় করা দুঃখজনক একটি ঘটনা।
থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, একটি আবেদন পেয়েছি, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন