
দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর হিলিতে কৃষক জাকারিয়া হোসেন প্রথমবারের মতো মালচিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ শুরু করেছেন। মাধবপাড়া গ্রামের এই উদ্যোক্তা তার ২০ শতক জমিতে এই চাষাবাদ শুরু করেন এবং মাত্র ৬৫ দিনের মধ্যে হারভেস্টের কাজ শুরু করেন।
জাকারিয়ার প্রত্যেক চারদিন অন্তর সাড়ে তিনশ থেকে চারশ কেজি টমেটো সংগ্রহ করা হয়। এই চাষে তার মোট ব্যয় হয়েছে মাত্র ৩০ হাজার টাকা, আর বিক্রির আশা রয়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা।
মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদে সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কম হওয়ায় খরচ কম হয় এবং ফলন ভালো হয়। এর কারণে দিনাজপুরে এই চাষাবাদ দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জাকারিয়ার উদ্ভাবনী টমেটো চাষ এলাকার কৃষকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করছে।
স্থানীয়রা প্রতিনিয়ত জাকারিয়ার চাষের প্রক্রিয়া দেখতে আসেন। কয়েকজন কৃষক জানিয়েছেন, “আমরা জাকারিয়ার দেখাদেখি মালচিং পদ্ধতিতে ভবিষ্যতে চাষাবাদ করব।”
মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদে ভালো ফলনের পাশাপাশি কয়েকজন যুবক কর্মসংস্থানের সুযোগও পাচ্ছেন। জাকারিয়ার উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আরজেনা বেগম জানান, মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য জাকারিয়াকে সব ধরনের সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের চাষাবাদে মোকামাকড়ের ঝুঁকি কম থাকে এবং ফলন বেশি হয়। তাই আমরা কৃষকদের এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে উৎসাহিত করি।
মন্তব্য করুন