মঙ্গলবার
৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

রাজাপুরে জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা পরিদর্শনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর রাজাপুরে জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা পরিদর্শনে এলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত আরা মৌরি ¦ ছবি: প্রতিনিধি

ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলায় অবস্থিত কবি জীবনানন্দ দাশের স্মৃতিবিজড়িত জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা ও পাঠাগার পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নে অবস্থিত জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা ও পাঠাগারে পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি। এ সময় ইউএনও রিফাত আরা মৌরি কবি জীবনানন্দ দাশ ও ধানসিঁড়ি নদীর সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

পরিদর্শনকালে গভর্নরের সঙ্গে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ আহমদ মাসুদ ও পরিচালক মো. আবুল বাশারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। কবি জীবনানন্দ দাশের পাঠাগারে কিছু দেখতে না পেয়ে এবং নদীটি ছোট হওয়ায় হতাশ হয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো পাঠাগারের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। নদী ভরাট হয়ে ছোট হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, কবি জীবনানন্দ দাশের প্রয়াণের প্রায় ৭০ বছর পর তাঁর স্মৃতিকে সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে ২০২৩ সালে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পিংড়ি এলাকায় ধানসিঁড়ি নদীর তীরে দুই কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা ও পাঠাগারের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি।

কবি জীবনানন্দ দাশ কেন বারবার ধানসিঁড়ির কাছে ছুটে আসতে চাইতেন—এর পেছনেও রয়েছে ঐতিহাসিক কারণ। বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে কলকাতা সিটি কলেজে শিক্ষকতা করেন এবং জীবনের শেষ আট বছর কলকাতাতেই কাটান। তৎকালীন সময়ে বরিশাল থেকে কলকাতা যাতায়াতের প্রধান পথ ছিল নদীপথ। বরিশাল থেকে স্টিমারে খুলনা যেতে হতো, আর সেই যাত্রাপথে ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি নদী ও গাবখান চ্যানেল অতিক্রম করতে হতো। এই নদীপথেই কবির সঙ্গে ধানসিঁড়ির এক গভীর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা তাঁর কবিতায় বারবার ফিরে এসেছে। ধানসিঁড়ি নদী তাই শুধু একটি নদী নয়—এটি কবি জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য ও অনুভূতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কাসেমিরোর গোলে স্বস্তি, জাপানের বিপক্ষে সমতায় ফিরল ব্রাজিল

সেলেসাওদের স্তব্ধ করে জাপানের গোল, শুরুতেই পিছিয়ে পড়ল ব্রাজিল

যশোরে জাতীয় পার্টির নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত 

শার্শার বসতপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্য

ইনুর মামলার রায় কাল, সরাসরি দেখবে দেশবাসী

ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

নেইমারকে ছাড়াই জাপানের বিপক্ষে নামছে ব্রাজিল

মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক

অর্থ বিল পাস, যেসব পরিবর্তন এলো 

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

যশোরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

যশোরে পাট পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি বিষয়ক মতবিনিময় সভা

যশোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সেমিনার  

যশোরে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত

মহেশপুরে গাজীরননেছা বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

মোরেলগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে নারিকেল চারা ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ

শৈলকুপায় পাঁচ দিনের ব্যবধানে দুই কিশোরের মৃত্যু

সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ৫৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

মণিরামপুরে সেতুর কাজ থমকে, দুর্ভোগে ২০ গ্রাম

আগামী ইউপি নির্বাচন ঘিরে মণিরামপুরে বিএনপির ঐক্যের শপথ

X