সোমবার
২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

রাজাপুরে জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা পরিদর্শনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর রাজাপুরে জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা পরিদর্শনে এলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত আরা মৌরি ¦ ছবি: প্রতিনিধি

ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলায় অবস্থিত কবি জীবনানন্দ দাশের স্মৃতিবিজড়িত জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা ও পাঠাগার পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নে অবস্থিত জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা ও পাঠাগারে পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি। এ সময় ইউএনও রিফাত আরা মৌরি কবি জীবনানন্দ দাশ ও ধানসিঁড়ি নদীর সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

পরিদর্শনকালে গভর্নরের সঙ্গে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ আহমদ মাসুদ ও পরিচালক মো. আবুল বাশারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। কবি জীবনানন্দ দাশের পাঠাগারে কিছু দেখতে না পেয়ে এবং নদীটি ছোট হওয়ায় হতাশ হয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো পাঠাগারের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। নদী ভরাট হয়ে ছোট হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, কবি জীবনানন্দ দাশের প্রয়াণের প্রায় ৭০ বছর পর তাঁর স্মৃতিকে সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে ২০২৩ সালে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পিংড়ি এলাকায় ধানসিঁড়ি নদীর তীরে দুই কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা ও পাঠাগারের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি।

কবি জীবনানন্দ দাশ কেন বারবার ধানসিঁড়ির কাছে ছুটে আসতে চাইতেন—এর পেছনেও রয়েছে ঐতিহাসিক কারণ। বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে কলকাতা সিটি কলেজে শিক্ষকতা করেন এবং জীবনের শেষ আট বছর কলকাতাতেই কাটান। তৎকালীন সময়ে বরিশাল থেকে কলকাতা যাতায়াতের প্রধান পথ ছিল নদীপথ। বরিশাল থেকে স্টিমারে খুলনা যেতে হতো, আর সেই যাত্রাপথে ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি নদী ও গাবখান চ্যানেল অতিক্রম করতে হতো। এই নদীপথেই কবির সঙ্গে ধানসিঁড়ির এক গভীর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা তাঁর কবিতায় বারবার ফিরে এসেছে। ধানসিঁড়ি নদী তাই শুধু একটি নদী নয়—এটি কবি জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য ও অনুভূতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বজয়ের চূড়ান্ত লড়াই, স্পেনের আক্রমণের সামনে দেয়াল তুলছে আর্জেন্টিনা

কলা ছাড়াও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ যেসব ফল ও সবজি খাবেন

যশোর সীমান্ত পরিবহন বাস মালিক সমিতি  আজিমুল সভাপতি ও রানা সাধারণ সম্পাদক মনোনীত

তৌহিদী জনতার বাধায় যশোর ঈদগাহ মাঠে বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ দেখানো বন্ধ

নড়াইলে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে রাজমিস্ত্রিকে হত্যা

বাংলাদেশের আইন মেনেই শেখ হাসিনার বিচার করা হবে: আইনমন্ত্রী

অভয়নগরে চাঁদার দাবিতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর মারপিট, আটক ৪ 

মোংলায় আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত কার্যক্রম’ প্রতিহতের ঘোষণা বিএনপির

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক ঐক্যের ডাক দিলেন নিপুণ রায় চৌধুরী

নড়াইলে প্রধান শিক্ষককে ছুরিকাঘাত, অফিস সহকারী পলাতক

আর্জেন্টিনা জিতলে বিয়ে? যা বললেন পরীমণি

রুদ্ধশ্বাস জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের

জ্বরের মৌসুমে যা খাওয়া দরকার

যশোর মেডিকেল কলেজে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

যশোরে প্রজাপতি স্কুলের শিক্ষার্থীদের  বৃক্ষ রোপন ও বিতরণ 

মেয়েকে হত্যা করে বস্তাবন্দি লাশ মোটরসাইকেলে নিয়ে ঘুরছিলেন বাবা

২১ বছর পর মালয়েশিয়ার কারাগার থেকে বাড়ি ফিরলেন বাগেরহাটের রতন

মহেশপুরে নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি’ জালের দাপট, হুমকিতে দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য

মোরেলগঞ্জে জেলা পরিষদের প্রশাসকের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের মতবিনিময়

সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে মোরেলগঞ্জে নতুন ডাকবাংলো ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

X