
কুয়াশার সঙ্গে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে কুড়িগ্রামে। বিকেল থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত স্থানভেদে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পরিবেশকে ঢেকে রাখছে। শিরশিরে বাতাসের প্রভাবে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। ফলে বেলা গড়িয়ে অনেক শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ দিন শুরু করতে পারছে দেরিতে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজারহাট উপজেলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন, শীতের প্রভাবে অন্যান্য সময়ের তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং শ্বাসকষ্টের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কেউ কেউ বহির্বিভাগে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন, আবার কিছু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ জানান, এই শীতময় সময়ে অসহায়-দুঃস্থ মানুষের জন্য প্রথম পর্যায়ে ৯টি উপজেলায় ২২ হাজার কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন