
বান্দরবানের লামা উপজেলায় রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। লামা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকাল ৯টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
উপজেলা চত্বরে অবস্থিত শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রশাসক মঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। লামা পৌরসভা, লামা থানা ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরও শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। লামা থানার পক্ষ থেকে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাসুম সরদারের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে লামা উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবায়েত আহমেদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাসুম সরদার, লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহজাহান কামাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মেডিকেল অফিসার ডা: সোলেমান, উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল হামিদ, এলজিইডি প্রকৌশলী আবু হানিফ, সহকারী তথ্য অফিসার রাশেদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান, এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি।
বক্তারা বলেন, ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বেদনাবিধুর দিন। ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসররা পরিকল্পিতভাবে দেশের শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে জাতিকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা চালায়। শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আলোচনা সভার শেষে লামা উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম মুফতি ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ সাদেকির পরিচালনায় শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতের মাধ্যমে দিবস উদযাপনের শান্তিপূর্ণ সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
মন্তব্য করুন