http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!

মাওলানা রাফিক বিন সাঈদীর দ্বিতীয় জানাজা খুলনায় অনুষ্ঠিত
    A+ A A-

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বড় ছেলে খুলনার সিদ্দিকীয়া জামেয়া-ই-মাদানীয়া ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবীদ ও গবেষক মাওলানা রাফীক বিন সাঈদীর দ্বিতীয় জানাজা শুক্রবার বাদ জুম্মা খুলনা মহানগরীর গোবরচাকা পল্লী মঙ্গল হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় ইমামতি করেন খুলনা আলিয়া মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা মোনাওয়ার হোসাইন মাদানী। এতে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চল দায়িত্বশীল মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, খুলনা মহানগরী জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, খুলনা উত্তর জেলা আমীর মাওলানা এমরান হোসাইন, খুলনা মহানগরী বিজেপির সভাপতি এডভোকেট লতিফুর রহমান লাবু, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, জেলা সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল আলম মনা, শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল বারী, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবদুল মতিন ও মাষ্টার শফিকুল আলম, সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান আসাদ, কাউন্সিলর খান মুনসুর আলী, আশফাকুল আলম কাকন, মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন, যুবলীগ নেতা ও কাউন্সিলর শেখ আলী আকবর টিপু, সাংবাদিক নেতা রাশিদুল ইসলাম, এইচএম আলাউদ্দিন, রফিউল ইসলাম টুটুল, এহতেশামুল হক শাওন, আব্দুর রাজ্জাক রানা, মুহাম্মদ নুরুজ্জামান, অধ্যাপক শেখ শামসুদ্দিন দোহা, জামায়াতের মহানগরী সহকারি সেক্রেটারি এডভোকেট মুহাম্মদ শাহ আলম, খান গোলাম রসূল, এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, প্রচার সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, মুহাম্মদ আব্দুর রহমান, ডাঃ হাবিবুর রহমান, খুলনা সদর থানা আমীর অধ্যাপক জি এম শফিকুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গা থানা আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান, খালিশপুর থানা আমীর মোঃ আজিজুর রহমান, দৌলতপুর থানা আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা বিএম জসিম উদ্দীন, খানজাহান আলী থানা আমীর মোঃ আজিজুর রহমান স্বপন, যুবদল নেতা শফিকুল আলম তুহিন, ছাত্রশিবির নেতা মিয়া মুজাহিদুল ইসলাম, মুকাররম বিল্লাহ আনসারী, আতাউর রহমান বাচ্চু, সাইদুর রহমান সাইদ, গাজী মোর্শেদ মামুন, নাঈম ইসলামসহ লাখো জনতা উপস্থিত ছিলেন। মাঠে সংকলন না হওয়ায় মুসল্লিরা পাশ্ববর্তী রাস্তা, বাড়ির ছাদে জানাজার নামাজ আদায় করে। এর আগে জুম্মার নামাজের জন্য সোনাডাঙ্গা এলাকার সকল মসজিদে মুসল্লিদের ভীড়ে কর্তৃপক্ষ স্ব স্ব মসজিদের সামনের মাঠ ও রাস্তায় জুম্মার নামাজের ব্যবস্থা করে। এমনকি মাঠের পাশের পল্লী মঙ্গল শামসুল উলুম মাদরাসার মসজিদের জুম্মার নামাজে মুসল্লিদের সংকুলান না হওয়ায় প্রথমে রাস্তা পরে জানাজার মাঠে নামাজ আদায় করে। 
এর আগে মরহুমের কফিন ঢাকা থেকে সড়ক পথে খুলনার দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসায় আনা হয়। পরে জানাজা শেষে মরহুমের কফিন খুলনা থেকে সড়ক পথে পিরোজপুরের আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশনে নেয়া হয়। সেখানে শেষ জানাজা শেষে ফাউন্ডেশনের মাঠে তাকে দাফন করা হয়। এরআগে গত বৃহস্পতিবার মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার পিতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ইমামতিতে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিসসহ ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার দুপুরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের মামলায় আটক তার পিতা মাওলানা সাঈদীর শুনানীর সময় ট্রাইব্যুনালে রাফীক বিন সাঈদী উপস্থিত ছিলেন। শুনানির বিরতিকালে তিনি সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে নিয়ে গাড়িতে বসানো হয়। গাড়িতে বসা অবস্থাতেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। দ্রুত তাকে বারডেম হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি। পৌনে তিনটার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।