

আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আÍহত্যা ভারতীয় তরুণদের মৃত্যুর দ্বিতীয় বৃহত্তম কারণে পরিণত হয়েছে। এক জরিপে দেখা গেছে, বর্তমানে দেশটির তরুণদের ১৪ ও তরুণীদের ১৬ শতাংশ আÍহত্যা করছেন। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক বিখ্যাত সাময়িকী ল্যান্সেটের এক জরিপের ফলাফলে এ মর্মান্তিক তথ্য উঠে এসেছে। এ জরিপে আরো বলা হয়েছে,বিশ্বের যেসব দেশে আÍহত্যার ঘটনা সর্বাধিক তার মধ্যে অন্যতম ভারত।
ল্যান্সেটে প্রকাশিত এ জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে,ভারতে প্রতিবছর সড়ক দুঘর্টনায় যত ব্যক্তি মারা যায়,১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী তত সংখ্যক তরুণ দেশটিতে আÍহত্যা করেন। এ ছাড়া ল্যান্সেট বলছে,ভারতে প্রতিবছর প্রসবকালীন জটিলতায় যত মা মারা যান তার প্রায় সমান সংখ্যক তরুণী আত্মহত্যা করেন। লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন পরিচালিত এ জরিপের নেতৃত্ব দেন বিক্রম প্যাটেল।
ভারতে পুরুষদের মৃত্যুর প্রধান কারণ সড়ক দুর্ঘটনা এবং প্রতিবছর দেশটিতে সড়ক দুঘর্টনায় প্রায় ১৪ শতাংশ পুরুষ প্রাণ হারান। অন্যদিকে প্রসবকালীন জটিলতা দেশটির নারী মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে বিরাজ করছে এবং প্রতিবছর সন্তান জম্ম দিতে গিয়ে ভারতের প্রায় ১৬ শতাংশ নারী বেঘোরে প্রাণ হারান। এ জরিপে ভারতের তরুণদের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ হিসেবে আত্মহত্যাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিক্রম প্যাটেল এ সম্পর্কে বলেছেন,ভারতে চিকিৎসা ব্যবস্থার দ্রুত উন্নতি ঘটার কারণে দেশটিতে ধীরে ধীরে প্রসবকালীন মৃত্যুর হার কমে যাবে। সেক্ষেত্রে তরুণীদের মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে উঠবে আÍহত্যা। কীটনাশকের মতো কিছু কিছু ওষুধের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হলে আত্মহত্যার প্রবণতা কমতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ভারতে মৃত্যুর কারণ বের করার জন্য দেশটির রেজিস্টার জেনারেল ২০০১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত প্রথম জরিপ চালায়। জাতিসংঘ ২০১০ সালে ভারতে মৃত্যুর যেসব কারণ খুঁজে বের করেছে তার ভিত্তিতে আত্মহত্যার এ হার নির্ণয় করেছেন জরিপের সঙ্গে জড়িত গবেষকরা।
১৫ বছরের বেশি ভারতীয়দের মধ্যে তিন শতাংশ আত্মহত্যা করেন বলে ভারতের রেজিস্টার জেনারেলের হিসাবে বলা হয়েছে। জাতিসংঘের মৃত্যু সংক্রান্ত পূর্বাভাসকে ভিত্তি করে এ জরিপের গবেষকরা বলছেন,২০১০ সালে ভারতে এক কোটি ৮৭ লাখ ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। তাদের মধ্যে ৪০ শতাংশ ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী এবং ওই একই বয়সের নারীদের ৫৬ শতাংশ আÍহত্যা করেন।

