http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!

মাওলানা সাঈদীর হার্টে তিনটি রিং বসানো হয়েছে
    A+ A A-

কাগজ ডেস্ক : কারাবন্দি জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর হার্টের চারটি ব্লকের মধ্যে তিনটিতে রিং বসানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ঘণ্টাব্যাপী অপারেশনের মাধ্যমে রিং বসানো সম্পন্ন হয়। হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ট্রাইব্যুনালের আদেশে বুধবার সকালে অপারেশনের জন্য তাকে বারডেম হাসপাতাল থেকে হার্ট ফাউন্ডেশনে নেয়া হয়। গুরুতর অসুস্থ সাঈদীর অবস্থা অবনতিশীল হওয়ায় তার অনুপস্থিতিতে মামলার কার্যক্রম মুলতবির এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেয়।

এরআগে সাঈদীর স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতি হওয়ায় বারডেমের চিকিৎসকদের বোর্ড তাকে দ্রুত বিদেশে নেয়ার পরামর্শ দেয়। তার পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তি দেয়ার আবেদন সরকার আমলে নিলেও এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেয়া হয়নি।

বারডেমে গত সোমবার বিকেল ৪টা ৫০ মিনিট থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মাওলানা সাঈদীর এনজিওগ্রাম করা হয়। এনজিও গ্রামে তার হার্টে চারটি ব্লক ধরা পড়ে। এনজিওগ্রাম শেষে খ্যাতিমান এই মুফাচ্ছিরকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বড় ছেলে রাফীক বিন সাঈদীর জানাযা মাওলানা সাঈদী প্রথমবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এরপর তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বারডেমে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে তিনি দ্বিতীয় দফায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন।

এতে মাওলানা সাঈদীর শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। হার্টে সমস্যা দেখা দেয়ায় মাওলানা সাঈদীকে দ্রুত এনজিওগ্রাম করার সিদ্ধান্ত নেয় মেডিকেল বোর্ড।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাবা মাওলানা সাঈদীর শুনানি চলাকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন বড় ছেলে খ্যাতিমান মুফাচ্ছির রাফীক বিন সাঈদী। এরপর বারডেমে ভর্তি করানো হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ১৫ জুন পিরোজপুরে তাকে দাফন করা হয়।