

আসাদ বেহেস্তী
নিম্নের চাপ শেষে
লঘুচাপ আসছে,
তার চাপে কৃষকের
ফসলটা ভাসছে।
ভেসে যায় ঘর-বাড়ি
ভেসে যায় সম্বল,
রিলিফেতে মেলে রুটি
আর দু’টো কম্বল!
কাগজ ডেস্ক : গতকাল বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যুতে জিয়া ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত মানববন্ধনে দেওয়া প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সরকারকে সতর্ক করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার বলেছেন, আপনারা বলছেন যুদ্ধের কথা। কিন্তু আমরা যুদ্ধ নয়, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চাই। যুদ্ধ চাইলে আপনারা একা হয়ে যাবেন। দেশের মানুষকে পাশে পাবেন না। আর এতে জনগণের জয় হবে। আওয়ামী লীগ কোন দিন গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনি। এখনো করে না। তারা ২১ বছর রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছে। জনগণ ভোট দেয়নি। এরপর হিজাব পরে (শেখ হাসিনা) কান্নাকাটি করে ক্ষমতায় এসেছে।
প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এ বাজেটে জনগণের মঙ্গল হবে না। এতে গরীব আরও গরীব হবে। এ বাজেটে আগামী অর্থবছরে কি হবে তা নয়, ২০২১ সালে কি হবে তা বলা হয়েছে।’
সরকারের দুর্নীতির কারণে বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতুর অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘তাদের মন্ত্রী-সচিবরা এতে জড়িত বলে তাদের বিচার হচ্ছে না।’
সারা বিশ্বে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের নিন্দার ঝড় উঠেছে দাবি করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু সাগর রুনি নয়, এ সরকার ১৭ জন সাংবাদিককে হত্যা করেছে। তারা ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করে না। সেজন্য এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার হচ্ছে না।’
জেল গেট থেকে আটক নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়ে আনোয়ার বলেন, ‘এখনই তাদের মুক্তি দিন। নইলে জনরোষের পর মুক্তি দিতে বাধ্য হবেন।’ সরকারকে জনগণের কাতারে আসার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক পুনর্বহালের দাবি মেনে নিন।’
‘দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি, বিদ্যুৎ সঙ্কট নিয়ে দেশে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, অথচ প্রধানমন্ত্রী বলছেন- মানুষ চার বেলা খাচ্ছে। তার দলের লোকজনই আসলে চার বেলা খাচ্ছে।’
জিয়া ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতা জাহিদ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে আরও অংশ নেন- ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, তেজগাঁ থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান কবীর ও বিএনিপ নেতা মেজর (অব.) হানিফ, রশিদ শিকদার প্রমুখ।

