http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
আসছে বাজেট অধিবেশন
চলবে লম্বা ভাষণ,
তারই আগে জনগণে
খাবে নানান কষন,
প্রথম কষণ ব্যবসায়ীদের
কারণ ছাড়াই তারা,
দাম বাড়াবে নিত্য মালের
হিসাব-নিকাশ ছাড়া!

তিস্তার বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক : সহস্রাধিক পরিবার দুর্ভোগে
    A+ A A-

কাগজ ডেস্ক : গত মঙ্গলবার তিস্তা নদীর অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতি বর্ষণ ও উজানের ঢল থেমে যাওয়ায় কিছুটা উন্নতি ঘটেছে। তবে সহস্রাধিক পরিবার দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
গত মঙ্গলবার তিস্তার প্রবাহ বিপদসীমার অনেক নীচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে। তবে যে কোন সময় উজানের ঢল ধেয়ে আসার আশংকায় রয়েছে তিস্তা পাড়ের বসবাসকারী মানুষজন।
মঙ্গলবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ভারতের দো-মহনী পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার (৮৫দশমিক ৯৫) ২৯ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বাংলাদেশের তিস্তায় বন্যার পানি নেমে গেছে। পাশাপাশি মঙ্গলবার বৃষ্টিপাত ছিলনা।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মাঈনুদ্দিন মন্ডল বলেন, বর্ষার সময় তিস্তায় যে কোন সময় উজানের ঢলে আবার বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। তাই সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে এবং তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ ­ুইচ গেট খুলে রাখা হয়েছে।
গত সোমবার টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তা বিপদসীমায় প্রবাহিত হলে ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁনী, ঝুঁনাগাছ চাঁনী, জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি, শৌলমারী, কৈমারী এলাকায় তিস্তার বন্যার পানিতে সহস্রাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি হাঁটুপানিতে তলিয়ে যায়।
জেলার ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন জানান, তার এলাকায় বন্যা কবলিত কিসামত ছাতনাই, দোহলপাড়ায় আড়াইশ’ পরিবার, পূর্বছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, তার এলাকায় মৌজা পূর্বছাতনাই, ঝাড়শিঙ্গেরশ্বরে দুই শতাধিক পরিবার খালিশা চাঁপানীর ছোটখাতা বানপাড়া গ্রামে শতাধিক পরিবার এখন খাদ্য কষ্টে পড়েছে। ঘরবাড়ি থেকে বন্যার পানি নেমে গেলেও তারা বাড়িতে রান্না করে খেতে পারছেনা। তাদের তৈরী খাবার সরবরাহ জরুরি হয়েছে।