http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
নিম্নের চাপ শেষে
লঘুচাপ আসছে,
তার চাপে কৃষকের
ফসলটা ভাসছে।
ভেসে যায় ঘর-বাড়ি
ভেসে যায় সম্বল,
রিলিফেতে মেলে রুটি
আর দু’টো কম্বল!

পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো ধরনের দুর্নীতি হয়নি : সৈয়দ আবুল হোসেন
    A+ A A-

কাগজ ডেস্ক : সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন বলেছেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো ধরনের দুর্নীতি হয়নি। প্রকল্পে শত ভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছিল। এমনকি এখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি ঘটার আশঙ্কাও তৈরি হয়নি।
তিনি সোমবার সোমবার দুপুরে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ২৬ অগাস্ট তাকে চিঠি পাঠায় দুদক। এর প্রেক্ষিতে তিনি সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যালয়ে হাজির হন। পদ্মা সেতু প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে সকাল ১০টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদক কর্মকর্তারা। আবুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের অসত্য অভিযোগ আমলে নেয়ায় পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’
তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর তদন্ত কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে চলছে। এর ভেতরে কোনো ধরনের দুর্নীতি ধরা পড়ার আশঙ্কা নেই। যারা দুর্নীতির কথা বলছেন তারা ভুল করছেন।
আবুল হোসেন বলেন, এই সেতুর জন্য পরামর্শক নিয়োগে ৩৭ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দের কথা বলা হয়েছিল। সেখানে ওই কাজ পেতে ৩৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ সাধার অভিযোগ অবান্তর।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সততা, ভদ্রতা ও স্বচ্ছতা আমার জীবনের শক্তি। এ দিয়ে আমি ভবিষ্যৎ জীবনে এগিয়ে যেতে চাই।’
সাবেক মন্ত্রী বলেন, ‘সমালোচকদের আমি বন্ধু হিসেবে দেখি। কোনো কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সমালোচকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।’
আবুল হোসেন বলেন, সরকারের কোনো ‘নির্দেশ বা চাপে’ নয়, ‘স্বচ্ছ’ তদন্তের স্বার্থে ‘স্বেচ্ছায়’ মন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
দুদক কার্যালয়ে তিনি সংবাদিকদের আরো বলেন, ‘কতিপয় সম্মানিত ব্যক্তি আমার মন্ত্রিসভায় থাকাটা পদ্মা সেতুর স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু তদন্তের পথে বাধা মনে করায় এবং মিডিয়ার সুধীজন ও শুভানুধ্যায়ীদের পরামর্শের পাশাপাশি স্বচ্ছ তদন্ত ও পদ্মা সেতু নির্মাণের স্বার্থে আমি স্বেচ্ছায় মন্ত্রীসভা থেকে সরে যাই। এ ক্ষেত্রে সরকারের কোন চাপ ছিল না, নির্দেশও ছিল না।’
বিশ্বব্যাংকের অনুমোদন নিয়েই পদ্মাসেতু নির্মাণের কার্যক্রম সততা ও দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়িত হচ্ছিল উল্লেখ করে সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, এ কার্যক্রমে দুর্নীতির কোনো আশঙ্কার কথা বিশ্বব্যাংক কখনো তাকে জানায়নি।
‘পদ্মাসেতু নিয়ে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে, মন্ত্রী হিসেবে আমার সম্পর্কে কেউ কোনো অভিযোগ করলে কিংবা কোনো অনিয়ম দৃষ্টিগোচর হলে আমার সাথে বিশ্বব্যাংকের আলোচনা করা উচিত ছিল বলে আমি মনে করি।’

হট নিউজ -এর সকল খবর