

আসাদ বেহেস্তী
আসছে বাজেট অধিবেশন
চলবে লম্বা ভাষণ,
তারই আগে জনগণে
খাবে নানান কষন,
প্রথম কষণ ব্যবসায়ীদের
কারণ ছাড়াই তারা,
দাম বাড়াবে নিত্য মালের
হিসাব-নিকাশ ছাড়া!
কাগজ ডেস্ক : র্যাবের গুলিতে পা হারানো লিমন হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার বিকেলে রাজাপুর থানায় দুটি পাল্টাপাল্টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে।
জানা গেছে, লিমন ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগে ইব্রাহীম হাওলাদারের বিরুদ্ধে লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম একটি জিডি করেন। লিমন ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে একই ধরনের পাল্টা অভিযোগ এনে জিডি করেন ইব্রাহীম হাওলাদারের স্ত্রী লিলি বেগম। এ ছাড়া ইব্রাহীম হাওলাদারের শ্যালক ফোরকান হাওলাদারের মৃত্যুর কারণ উদঘাটনের দাবিতে একই থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
রাজাপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বাবুল বলেন, লিমন, তার ভাই সুমন ও মায়ের ওপর হামলার অভিযোগে ইব্রাহীম হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম। অভিযোগটি ২০ আগস্ট জিডি হিসেবে লিপিবদ্ধ করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, লিমন ও তার পরিবারের সদস্যরা গত সোমবার ঈদের দিন বিকেলে রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়ায় গ্রামের বাড়িতে ঈদ পালন শেষে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় ফিরে যাচ্ছিলেন। পথে রাজাপুরের ইঁদুরবাড়ি সেতুর কাছে র্যাবের সোর্স হিসেবে পরিচিত ইব্রাহীম হাওলাদার ও তাঁর লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালান।
রাজাপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বাবুল বলেন, লিমন, তার ভাই, মা ও চার খালা ইব্রাহীম হাওলাদারের ওপর হামলা করেছেনÑএমন অভিযোগ এনে তাঁর স্ত্রী লিলি বেগম একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগটি একই তারিখে জিডি হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়।
এদিকে ইব্রাহীম ও লিমনের পরিবারের মধ্যে মারামারি হচ্ছে-খবর শুনে গত সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সাতুরিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছিলেন ইব্রাহীম হাওলাদারের শ্যালক ফোরকান হাওলাদার (৩৬)। পথে সাতুরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার সামনে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পাশে এক আÍীয়ের বাড়িতে নেওয়া হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। ফোরকানের মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়ে তাঁর বোন (ইব্রাহীমের স্ত্রী লিলি বেগম) গত মঙ্গলবার রাজাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। রাজাপুর থানার পুলিশ অভিযোগটি অপমৃত্যু মামলা হিসেবে লিপিবদ্ধ করে এবং ফোরকানের লাশের ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
রাজাপুর থানার ওসি তোফাজ্জেল হোসেন পাল্টাপাল্টি দুটি জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, একজন উপপরিদর্শককে (এসআই) তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ দুটি ‘অধর্তব্য’ অপরাধের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে তদন্ত শুরু করতে হবে।

