http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

ইন্টারনেট ত্রুটির কারণে গ্রামের কাগজ এর ২১ মে অনলাইন প্রকাশনা স্থগিত রয়েছে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্যে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আশা করছি ২২ মে থেকে আবারো ফিরে আসব আপনাদের মাঝে। গ্রামের কাগজের সাথেই থাকুন।

প্রধান সম্পাদক

আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!

পদ্মা সেতু : বিশ্বব্যাংকের শেষ প্রস্তাবটিও মানার চেষ্টা চলছে
    A+ A A-

কাগজ ডেস্ক : পদ্মা সেতুর ঋণ পেতে বিশ্বব্যাংকের চারটি প্রস্তাবই মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
রোববার একটি ব্যাংকের পে-অর্ডার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, গোল্ডস্টেইনের (বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর) দেওয়া চার প্রস্তাবের মধ্যে চতুর্থটি মেনে নেওয়া একটু অসুবিধা ছিল। আমরা চেষ্টা করছি, এটাও কীভাবে সমাধান করা যায়। অর্থমন্ত্রী বলেন, তাই যদি হয়ে যায়, তাহলে শিগগিরই আমরা শুরু করতে পারি।
ঋণের জন্য সরকারকে দেওয়া বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাব চারটি হলো: দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি বিশেষ তদন্ত ও বিচারিক টিম গঠন করা, একটি বিকল্প প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যবস্থায় সহযোগী অর্থায়নকারীদের জন্য ক্রয় প্রক্রিয়ায় .অধিকতর তদারকির সুযোগ রাখা, দুদককে বিশ্বব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একটি বাইরের প্যানেলের কাছে তথ্য দেওয়ার ও প্যানেলকে তদন্ত প্রক্রিয়ার পর্যাপ্ততা মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া এবং তদন্ত চলাকালে সরকারি দায়িত্ব পালন থেকে সরকারি ব্যক্তি অর্থাৎ আমলা ও রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্তদের ছুটি দেওয়া।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য এখনো প্রথম অগ্রাধিকার বিশ্বব্যাংকের ঋণ। দ্বিতীয় বিকল্প হলো নতুন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা। বিশ্বব্যাংক যদি না আসে, তখন নতুন চুক্তির দরকার পড়বে। সেতু নির্মাণে বৈদেশিক মুদ্রার যে ঘাটতি পড়বে, সে জন্য তখন নতুন উন্নয়ন সহযোগী খুঁজব।
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিকে (পিপিপি) তৃতীয় বিকল্প উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, তবে পিপিপির ব্যাপারে সমস্যা আমি যেটা দেখছি, মালয়েশিয়া যে প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে সুনির্দিষ্ট করে কোনোকিছু উল্লেখ নেই। চতুর্থ বিকল্প হিসেবে অর্থমন্ত্রী নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের কথা তুলে ধরেন। নতুন একটি ধারণা দিয়ে তিনি বলেন, এখন দুই লাখ কোটি টাকার বাজেট আমাদের। তিন বছর পর তা তিন লাখ কোটি টাকা হতে পারে। সেতু নির্মাণের খরচ কিছুটা বেড়ে যদি ২৬ হাজার কোটি টাকাও হয়, তাহলেও কোনো সমস্যা হবে না। তিনি জানান, বাজেটে প্রতিবছর আট হাজার কোটি টাকা করে রাখলেও তিন বছরে ২৬ হাজার কোটি টাকার সংস্থান হয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে অর্থ ব্যবহারে এলজিইডি (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর) ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের এখন যেমন রমরমা ভাব, তখন তা থাকবে না বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
পদ্মা সেতুর অর্থায়নে দাতাদের আস্থা অর্জনে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, আস্থা ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত। সেতু নির্মাণে অনুদান গ্রহণে সরকারের পক্ষ থেকে দুটি হিসাব খোলা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ-সংক্রান্ত নীতিমালাটি চূড়ান্ত। এটি এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রয়েছে। সেখান থেকে এলেই এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। এটা তদারকি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

হট নিউজ -এর সকল খবর