

আসাদ বেহেস্তী
আসছে বাজেট অধিবেশন
চলবে লম্বা ভাষণ,
তারই আগে জনগণে
খাবে নানান কষন,
প্রথম কষণ ব্যবসায়ীদের
কারণ ছাড়াই তারা,
দাম বাড়াবে নিত্য মালের
হিসাব-নিকাশ ছাড়া!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জাতিগত কাচিন বিদ্রোহীদের ওপর সরকারি বার্মিজ সামরিক বাহিনীর হামলার মাত্রার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উদ্বাস্তু মানুষের সংখ্যা। প্রায় দশককাল ধরে কাচিন বিদ্রোহীদের অধীনে থাকা এলাকার দিকে অগ্রসরমান বার্মিজ সামরিক বাহিনীর অভিযান কবলিত এলাকা থেকে উদ্বাস্তু মানুষেরা বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় এবং চীন-মিয়ানমার সীমান্তে স্থাপিত শরণার্থী শিবিরগুলোতে আশ্রয় নিচ্ছে।
শুক্রবার আল-জাজিরায় প্রচারিত এক্সক্লুসিভ ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ১৭ বছর ধরে থাকা যুদ্ধবিরতি গত বছর শেষ হবার পরে চলতি জুন মাসের বর্ষা মৌসুমে বার্মিজ বাহিনী ও কাচিন স্বাধীনতা সেনা’র (কেআইএ) মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছে। মিয়ানমার সরকার কর্তৃক ওই অঞ্চলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার কার্যত নিষিদ্ধ হলেও গত শুধু আল-জাজিরা’র সংবাদকর্মীরা ভিডিও কাচিন অঞ্চলের দুর্ভোগের দৃশ্য ধারণে সক্ষম হন।
আল-জাজিরা’র ব্যাংকক ভিত্তিক সাংবাদিক ওয়েন হে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেন।
শুক্রবার প্রচারিত ভিডিও সংবাদে দেখা যায়, সরকারি বার্মিজ বাহিনীর আক্রমণের মুখে কাচিন স্বাধীনতা সেনা’রা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে প্রাণান্তকর যুদ্ধে লিপ্ত।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার হিসাবে গত বছরখানেক সময়ে ষাট হাজারের বেশি উদ্বাস্তু অঞ্চলটি থেকে শরনার্থী হিসেবে মিয়ানমারের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে।
শরণার্থী শিবিরগুলোতে চলমান বর্ষা মৌসুমে জীবন যাপন খুব কষ্টকর হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে ন্যূনতম খাদ্য সরবরাহয় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

