http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

ইন্টারনেট ত্রুটির কারণে গ্রামের কাগজ এর ২১ মে অনলাইন প্রকাশনা স্থগিত রয়েছে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্যে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আশা করছি ২২ মে থেকে আবারো ফিরে আসব আপনাদের মাঝে। গ্রামের কাগজের সাথেই থাকুন।

প্রধান সম্পাদক

আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!

সাংবাদিক জামালের এক খুনি উকিল ভারতে গ্রেফতার
    A+ A A-

খুনি উকিলবিশেষ প্রতিনিধি : দৈনিক গ্রামের কাগজের সাহসী সাংবাদিক জামালউদ্দিন হত্যামিশনের অন্যতম সদস্য উকিল মোড়ল ভারতে আটক হয়েছে। সে শার্শা কাশিপুরের মৃত শমসের মোড়লের ছেলে। গতকাল দুপুরে পশ্চিমবঙ্গের বাগদা থানা পুলিশ শার্শা থানা পুলিশের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে ওই এলাকার হেলেঞ্চা বাজার থেকে তাকে আটক করে। তাকে বাংলাদেশে ফেরত আনার ব্যাপারে প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।
সূত্র জানিয়েছে, শার্শা থানার অফিসার ইন্চার্জ এ,কে,এম ফারুক হোসেন খবর পান সাংবাদিক জামাল হত্যা মিশনের এক সদস্য কাশিপুরের মাদক সম্রাট উকিল মোড়লসহ অভিযুক্ত কয়েকজন বনগাঁর বাগদা থানার হেলেঞ্চা এলাকায় অবস্থান করছে। বিষয়টি তাৎক্ষনিকভাবে তিনি জানান বাগদা থানার অফিসার ইন্চার্জ এসআই গোপাল বিশ্বাসকে। সে অনুযায়ী বাগদা থানা পুলিশ গতকাল রোববার দুপুর দেড়টার দিকে হেলেঞ্চার একটি মার্কেটের সামনে থেকে আটক করে ঘাতক উকিল মোড়লকে। বাগদা থানা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজেকে বাংলাদেশের নাগরিক বলে স্বীকার করেছে। উকিলকে আটক করার বিষয়টি বাগদা থানার ইনচার্জ এসআই গোপাল বিশ্বাস শার্শা থানার ওসি এ,কে,এম ফারুক হোসেন ও তদন্ত কর্মকর্তা এ,কে,এম মাহফুজুল হক নিশ্চিত করেছেন। আর তারা ঘাতক উকিল আটক ও পরবর্তী কার্যক্রম সম্পর্কে জানান এ প্রতিবেদককে।
শার্শা থানার অফিসার ইন্চার্জ জানান, আটক উকিলসহ আরও কয়েক ঘাতক সাংবাদিক জামালকে হত্যার পর পরই সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে যায়। উকিল আটক হওয়ায় ভারতে পলাতক অন্য খুনীরা স্থান পরিবর্তন করবে বিধায় তাদের আটক করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন তিনি। তা সত্ত্বেও কৌশলী অভিযানে পলাতক আসামিদের আটক করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদী।
ওসি ফারুক হোসেন আরো জানান, আটক উকিলকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তাকে দ্রুত ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এ কে এম মাহফুজুল হক জানান, ভারতে পলাতক থাকা তিন আসামির মধ্যে উকিল আটক হলেও ওই এলাকায় রাজু ও রমজান পালিয়ে আছে বলে তথ্য রয়েছে। ঘাতকদের কাছের কিছু অপরাধীর গতিবিধির উপর নজরদারি করে পলাতকদের আটক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন রাতে শার্শা উপজেলার কাশিপুর বাজারে দুর্বৃত্তরা নৃশংসভাবে খুন করে দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক গ্রামের কাগজের সাংবাদিক জামালউদ্দিনকে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সাত জনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয় অভিযুক্তদের কেউ কেউ। সীমান্ত লাগোয়া বাগদা এলাকায় অবস্থান নিয়ে তারা মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দিতে থাকে নিহত জামালের স্বজনদের। এমনকি তারা জামালের কবরের পাশে আরও কবর খুঁড়ে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিতে বলে জামালের পরিবার-সদস্যদের।