http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
নিম্নের চাপ শেষে
লঘুচাপ আসছে,
তার চাপে কৃষকের
ফসলটা ভাসছে।
ভেসে যায় ঘর-বাড়ি
ভেসে যায় সম্বল,
রিলিফেতে মেলে রুটি
আর দু’টো কম্বল!

কপিলমুনিতে জুয়েলারী ব্যবসার আড়ালে চলছে অ্যাসিড ব্যবসা
    A+ A A-

কপিলমুনি (খুলনা) অফিস : কপিলমুনিতে জুয়েলারী ব্যবসার আড়ালে চলছে ক্ষতিকর সালফিউরিক ও নাইট্রিক অ্যাসিডের রমরমা ব্যবসা। ফলে এলাকায় এর অপব্যবহারও বেড়েছে বহুগুন। এলাকাবাসী এর অবাধ বিক্রি ও ব্যবহার রোধে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কপিলমুনির একজন জুয়েলারী ব্যবসায়ী তার মূল ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন অবৈধ নাইট্রিক ও সালফিউরিক অ্যাসিড ব্যবসা চালিয়ে আসছে। তবে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রমান ও গুদাম চিহ্নিত না হওয়ায় প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। গত সোমবার রাত আনুমানিক ৮টায় কপিলমুনি গার্লস স্কুল রোডের স্থানীয় মিলন কুমার সরকারের মালিকানাধীন অলংকার জুয়েলার্সে ৫টি ড্রামে প্রায় ১শ’৫০ লিটার অ্যাসিড মজুত রয়েছে এমন খবর পেয়ে সাংবাদিকরা জুয়েলারি মালিক মিলন সরকার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নাইট্রিক ও সালফিউরিক অ্যাসিড ব্যবহারের জন্য ৪০ লিটার অ্যাসিড মজুদ রাখা যাবে মর্মে সরকারি লাইসেন্সে উল্লে¬খ রয়েছে। কিন্তু তার কাছে ঐ সময় অধিক পরিমান অ্যাসিড মজুদ থাকার বিষয়টি তিনি কৌশলে এড়িয়ে যান। সূত্র জানিয়েছে, সে অ্যাসিড ব্যবহারের লাইন্সেস করে শত শত লিটার অ্য্সিড সাদা কৌটায় করে দীর্ঘদিন ধরে বাজারজাত করে আসছে। কপিলমুনি জুয়েলারী ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মুরারী মোহন বলেন, মিলনের লাইসেন্স আছে এবং তা খুলনায় নবায়ন এর জন্য পাঠানো হয়েছে। অধিক পরিমানের এসিড মজুদের কথা বললে, তিনি বলেন এ বিষয়ে আমার জানা নেই। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী আতিয়ুর রহমান বলেন, অ্যাসিডের অতিরিক্ত মজুদের প্রমান পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।