

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!
কাগজ সংবাদ : শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত আসন সংখ্যার অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের দাবিতে গতকাল যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আমিরুল আলম খানের সাথে সাক্ষাত করেছেন যশোরের বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষরা। সাক্ষাতে তারা শহরের কিছু কলেজের আসন সংখ্যার অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধে শিক্ষাবোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অধ্যক্ষরা বোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন, একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির ক্ষেত্রে শহরের কিছু কলেজ বোর্ড নির্ধারিত আসন সংখ্যার অধিক শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের সুপারিশ নিয়ে শিক্ষাবোর্ড আবেদন করেন এবং সংশ্লিস্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহযোগিতায় সেটা অনুমোদন করে অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি করেন। এতে করে শহর ও শহর সংলগ্ন অন্য কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী সংকট দেখা দেয়। এক্ষেত্রে এসব কলেজে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীর চরম সংকট দেখা দেয়। শিক্ষাবোর্ড যেহেতু সকল কলেজের অভিভাবক সে জন্য কিছু কলেজে অধিক শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন না দিয়ে অন্য কলেজগুলোও ভালভাবে চলতে পারে বলে তারা বোর্ড চেয়ারম্যানকে জানান।
এদিকে শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার অনলাইনে ভর্তির নিয়ম চালু হওয়ায় যেসব কলেজে ৬শ’ এর বেশি আসন রয়েছে সেখানে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হয়েছে। সে অনুযায়ী যশোর শিক্ষাবোর্ডের ২৫টি কলেজে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। তার মধ্যে যশোরের ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এবার যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ৮শ’ ৫০ টি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ২ হাজার ২শ’টি। ডা. আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজের ৯শ’ ৫০টি আসনের বিপরীতে ১৬শ’ আবেদন জমা পড়েছে। আল হেরা ডিগ্রি কলেজে ৪শ’ ৭৫ আসনের বিপরীতে আবেদনকারী ৬শ’ ৫০জন এবং সরকারি এমএম কলেজে ৪শ’ ৫০ আসনের বিপরীতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। মূলত এই কলেজগুলোতেই অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে থাকে। তারপরও এসব কলেজে অতিরিক্ত ভর্তির আবেদন করলে অন্য কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী সংকট দেখা দেয়। এ কারণে অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধে বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যক্ষদের কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং এবার কোন কলেজে আসন সংখ্যা না বাড়ানোর চেষ্টা করবেন বলে জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অমল কুমার বিশ্বাস, উপ কলেজ পরিদর্শক জিল্লুর রহমান, অধ্যক্ষ মুস্তাক হোসেন শিম্বা, অধ্যক্ষ শাহিন ইকবাল, অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মহিনুর ইসলাম, অধ্যক্ষ উজির আলী প্রমুখ।

