http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!

৩ মাসে ১৪ লক্ষ শেষ : হুমকির মুখে শৈলকুপার কুমার নদের ব্রীজ
    A+ A A-

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি॥ তিন মাস যেতে না যেতেই হুমকির মুখে পড়েছে শৈলকুপা পৌরসভার ১৪ লক্ষ টাকার একটি সংস্কার প্রকল্প। শৈলকুপা কুমার নদের উপর নির্মীত পানি উন্নয়ন বোর্ডের এ ব্রিজটিই বিভিন্ন জেলার সাথে যোগাযোগের একমাত্র সেতুবন্ধন। অথচ কয়েক মাস আগে শৈলকুপা পৌরসভা ব্রিজের উপর কার্পেটিং এর কাজ করায় তা এখন কাল হয়ে দাড়িয়েছে। হাজারো গর্তে পানি জমে হুমকির মুখে পড়েছে এ ব্রিজটি। 
খোজ নিয়ে জানা যায়, গত ৩/৪ মাস আগে গোপন টেন্ডারের মাধ্যমে কুমার নদের উপর নির্মীত ৯০ মিটার লম্বা এ ব্রিজটির ওপর এবং ব্রিজের সামনের রাস্তা আনুমানিক ১০০ মিটার দৈর্ঘ ১৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সংস্কারের কাজ করে গোলাম রসুল নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। শৈলকুপা পৌর অফিসের ইঞ্জিনিয়ার ও কয়েকজন দুর্নীতিবাজ কর্মচারীর সহযোগিতায় এ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান যেনতেন কায়দায় নামমাত্র সংস্কারের কাজ করায় এখন তা কাল হয়ে দাড়িয়েছে শৈলকুপার একমাত্র যোগাযোগের সেতু বন্ধন কুমার নদের উপর এ ব্রিজটির। ব্রিজের ওপর বিটুমিনের যে আস্তর দেওয়া হয়েছিল তা উঠে হাজারো গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ভরা বর্ষা মৌসুমে এ সব গর্তে পানি জমে থাকা ব্রিজের উপর দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক এবং বাস সহ অন্যান্য যান চলাচল করায় যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এ ব্রিজটির উপর।
সংস্কারের কয়েক মাস মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্থ ব্রিজ সম্পর্কে শৈলকুপা পৌরসভার তালিকাভূক্ত ঠিকাদার কাজী গোলাম রসুল বলেন, কাজে কোন অনিয়ম করা হয়নি। কার্পেটিং করার সময় বিটুমিনে তেল বেশী গিয়েছিল, তাই কার্পেটিং উঠে গেছে। শুস্ক মৌসুমে পুনরায় আবার সংস্কার করা হবে।
শৈলকুপা পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী মোমিনুল ইসলাম সঠিক তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তবে তিনি বলেন ব্রিজ এবং রাস্তা সংস্কারের সময় আমরা তদারকি করেছিলাম, তারপরেও এমন নিম্ন মানের কাজ হয়েছে আমরা বুঝতেও পারিনি। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে পুনরায় সংস্কার করে দেওয়ার জন্য।