

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!
কাগজ ডেস্ক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সাম্প্রতিক সময়ে গার্মেন্টেস খাতের বিশৃঙ্খলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, “সরকারের উচিত এ ঘটনায় দায়ীদের খুঁজে বের করে শাস্তি নিশ্চিত করা। তবে সরকার তা করবে না, কারণ তাদের লোকেরাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।”
বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকি-বরাদ্দ বৃদ্ধি ও ইলিয়াস আলীর সন্ধানের দাবিতে’ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল বলেন, “কোনো শ্রমিক এ কাজ করতে পারে এটা আমরা বিশ্বাস করি না। কারণ এই শিল্পের মাধ্যমে তাদের রুটি-রুজির ব্যবস্থা হয়। এটা তার মা-বাবার সমতুল্য।”
নজরুল ইসলাম বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির দোহাই দিয়ে আশুলিয়ার প্রায় তিন শতাধিক গার্মেন্টস বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিকপক্ষ।” কারা এ অবস্থার সৃষ্টি করছে তাদের খুঁজে বের করে বন্ধ কারখানা খুলে দিতে সরকারের কাছে তিনি দাবি জানান।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “সরকার কৃষিতে বিএনপির সব অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। সরকার কৃষকদের বিনামূল্যে সার দেয়ার কথা বললেও এখন উচ্চমূল্যে সার কিনতে হচ্ছে।”
সরকারের কাছে হ্রাসকৃত মূল্যে কৃষি উপকরণ দেয়া এবং কৃষি পণ্যের মূল্য নির্ধারণের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “খরচ বেশি দিয়ে উৎপাদন করার পরও সরকার সঠিক সময়ে কৃষকদের কাছ থেকে পণ্য না কিনে ফরিয়াদের কাছ থেকে কিনে। এটা বন্ধ করা দরকার। না হয় কৃষকরা নিরুৎসাহিত হবে। আর এভাবে চলতে থাকলে একসময় বাংলাদেশ খাদ্যে পরনির্ভরশীল হয়ে পড়বে।”
তিনি অবিলম্বে আটক নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়ে বলেন, “মিথ্যা মামলা দিয়ে আন্দোলন বন্ধের চেষ্টা সফল হবে না।”
কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদুর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, আবদুল মতিন প্রধান প্রমুখ।

