

আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও সমাবেশে হামলা চালিয়ে তা পন্ড করে দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা। রোববার বেলা ১১ টায় শহরের মজমপুর গেটে সাংবাদিকদের ডাকা মানববন্ধন ও সমাবেশ চলাকালে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছে সাংবাদিকরা।
৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন সবুজের দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, সাগর-রুনী হত্যাকারীদের গ্রেফতারসহ সারা দেশে সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন ও সমাবেশের ডাক দেয় জেলার সর্বস্তুরের সাংবাদিকবৃন্দ। বেলা ১১ টায় শহরের মজমপুর গেটে মানববন্ধন চলাকালে বক্তৃতা করছিলেন চ্যানেল টুয়েন্টি ফোরের স্টাফ রিপোর্টার শরীফ বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদকরা। এমন সময় কুষ্টিয়া ডিএসবি পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন সবুজসহ প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন সন্ত্রাসী বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিকদের উপর হামলা করে। ভয়ে এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা দৌঁড়ে আশেপাশে আশ্রয় নেয়ায় পন্ড হয়ে যায় মানববন্ধন কর্মসূচি। এসময় শহরের ব্যস্ততম ওই এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কুষ্টিয়া সদর থানার এসআই আব্দুল আজিজসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসলে শহরের এনএস রোডে মহড়া দিতে দিতে চলে যায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের ক্যাডাররা। এ সময় তারা সাংবাদিক দেখামাত্র তাদের হাত পা কেটে নেয়া হবে বলে শ্লোগান দেয়। এদিকে এ ঘটনার পর সাংবাদিকরা জরুরী প্রতিবাদ সভা ডেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অবিলম্বে সাংবাদিকদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ মানববন্ধন কর্মসূচির উপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
উল্লে¬খ্য, সাজ্জাদ হোসেন সবুজের নামে এক ডজন মামলা রয়েছে। দুটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেও দাপটের সাথে শহরে ঘুরে বেড়ায় সে। পুলিশের শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় তার অবস্থান ৬ নম্বরে। এ সন্ত্রাসীর ভয়ে শহরের সাধারণ লোকজন থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা পর্যন্ত মুখে খুলতে সাহস পান না। তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার চাপে স্থানীয় প্রশাসন সবুজের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থ্ াগ্রহণ করতে পারেনা। এসব নেতা সবুজকে ব্যবহার করে টেন্ডারবাজি হাট-ঘাট দখল সহ প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক নেতাদের দমন করছে।

