

আসাদ বেহেস্তী
রাজনীতিতে মন্দা বাতাস
থমথমে সব কিছু,
একই কথার ঘ্যানর ঘ্যানর
ছাড়ছেনাতো পিছু!
একই গানের ভাঙ্গা রেকর্ড
বাজছে রোজই দেখি,
লম্বা ভাষণ শুনলে এখন
লাগছে শুধু মেকি!
কাগজ সংবাদ : ঝিকরগাছা থানার ওসি হুমায়ন কবীরের কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে নানামুখি প্রশ্নের জন্ম হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে তিনি কি প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে বসে রাজনীতি করছেন না-কি নিজের অপকর্ম ঢাকতে ক্ষমতাসীন কতিপয় নেতার আস্থাভাজন হতে তাদের পছন্দ অপছন্দকে গুরুত্ব দিতে বেসামাল আচরণ করছেন? না-কি স্থানীয় ত্যাগী ও সুবিধাভোগী আওয়ামী লীগের মধ্যে গ্রুপিং এর সুবিধা নিয়ে সুবিধাভোগীদেরকে খুশি করে ত্যাগী আওয়ামী লীগ কর্মীদের নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছেন? এমন নানা প্রশ্নের ঝড় উঠেছে ঝিকরগাছাবাসীর মধ্যে।
জুলাই মাসের আইন শৃংখলা মিটিংয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির বাঁকড়াসহ উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলে চুরি-ডাকাতিসহ বিভিন্নভাবে আইন শৃংখলার অবনতি হচ্ছে অভিযোগ তুলে ওসি হুমায়ন কবীর ও বাঁকড়া ফাঁড়ি ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে তিরস্কার করেন। আর এ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ওসি প্রশাসনিক চেয়ারে বসেই নেমে পড়েন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে। উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলে শুরু করেন নিরীহ লোকজনকে ধরে পেন্ডিং চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই মামলায় চালান দেয়ার প্রক্রিয়া। প্রথম অভিযানে ৪ জন এবং সর্বশেষ রোববার ভোররাতে ২ জন মোট ৬ জনকে এ পর্যন্ত ওসি ধরে নিয়ে পেন্ডিং মামলায় চালান দিয়েছেন। যাদের কারো বিরুদ্ধেই কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলেও তাদের ধরে আসামি বানিয়ে দিয়েছে থানা পুলিশ। উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের আইনশৃংখলা অবনতিতে ওসি শুধু আওয়ামী ঘরানার লোকদের একতরফা দায়ী করেই আটক অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।
এছাড়া ওসি হুমায়ন কবীরের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের সুবিধা দেয়া, মামলার তদন্ত খাত থেকে দারোগাদের কাছ থেকে মাসোয়ারা নেয়া, রাস্তায় পরিবহন তল্লাসীর নামে দারোগাদের দিয়ে যাত্রী হয়রানী ও চাঁদাবাজি করানো, মিথ্যা মামলা রেকর্ড করিয়ে বাদীর কাছ থেকে মামলা প্রতি ২ হাজার টাকা নেয়া, ক্যাশিয়ারের মাধ্যমে চোরাচালান পণ্যের স্লিপ দিয়ে অবাধ চোরাচালানে সহযোগিতার মাধ্যমে প্রতিমাসে অন্তত: ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়াসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

