
ইন্টারনেট ত্রুটির কারণে গ্রামের কাগজ এর ২১ মে অনলাইন প্রকাশনা স্থগিত রয়েছে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্যে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আশা করছি ২২ মে থেকে আবারো ফিরে আসব আপনাদের মাঝে। গ্রামের কাগজের সাথেই থাকুন।
প্রধান সম্পাদক


আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!
বিশেষ প্রতিনিধি : গতকাল তুচ্ছ ঘটনায় যশোরের চাঁচড়া রায়পাড়া চোরমারা দীঘিরপাড় ও খড়কী হাজামপাড়ায় দু’দুর্বৃত্ত গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি অস্ত্রের মহড়া ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বোমাবাজির ঘটনায় ওই এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। এ সংবাদে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে হটিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ওই রাতে উভয় পক্ষ পরস্পর বিরোধী অভিযোগ তুলে থানায় এজাহার দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ২৩ জুলাই সকালে চাঁচড়া রায়পাড়া চোরমারা দীঘিরপাড় এলাকার আলীগড় মসজিদপাড়ার ডিস ব্যবসায়ী শাহিন আহমেদের দু’জন স্টাফ খড়কী হাজাম পাড়ায় সংযোগ লাগাতে যান। এসময় ওই এলাকার এক কিশোর তাদের সাথে দুষ্টুমি করায় তারা ওই কিশোরের গায়ে প্লাস দিয়ে চিমটি কাটেন। এসময় খড়কী হাজামপাড়ার কয়েক যুবক ক্ষিপ্ত হয়ে ওই দু’স্টাফ শামীম ও মনিরকে মারপিট করে। মার খেয়ে আলীগড় মসজিদ এলাকায় ফিরে ডিস ব্যবসায়ী শাহিনকে জানালে সে ক্ষিপ্ত হয়। বিকেল আনুমানিক ৪ টায় শাহিন তার লোকজনসহ আরও কতিপয় দুর্বৃত্তকে সাথে নিয়ে খড়কী হাজামপাড়ায় হামলা চালিয়ে বোমাবাজি শুরু করে। তারা হাজামপাড়ার নান্নু ও সৈয়দ আলীকে লক্ষ্য করে পরপর ৬ টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। ওই সময় ৪টি বোমা বিষ্ফোরিত হয়। এলাকায় চরম আতংক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন দিগি¦দিক ছুটতে থাকে। মেস ছেড়ে অনেক ছাত্র অন্যত্র আশ্রয় নেয়।
এদিকে এ বোমাবাজির পাল্টা হিসেবে বিকেল আনুমানিক ৪ টা ৪৫ মিনিটে আলীগড় মসজিদ এলাকায় বোমা হামলা চালায় খড়কীর নান্নু ও সেয়দ আলী গ্রুপ। তারা শাহিন পক্ষকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি করে। তারাও ডজন খানেক বোমা নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে ৪টি বিস্ফারিত হয়। এসময় উভয় পক্ষ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হয়। এরপর উভয় পক্ষ অস্ত্রের মহড়াও দেয় ওই দু’এলাকায়।
এদিকে এ সংবাদ থানায় পৌঁছালে ওসি গোলাম রহমানের নেতৃত্বে এসআই আব্দুল মান্নান শেখ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালান। পুলিশ উভয় পক্ষকে হটিয়ে দিয়ে বোমার আলামত উদ্ধার করে থানায় আনে। বর্তমান এলাকার পরিবেশ শান্ত বলে জানান অফিসার ইন্চার্জ গোলাম রহমান। তিনি বলেছেন পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। তুচ্ছ ঘটনায় দুটি অপরাধীচক্র এ অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটিয়েছে। বোমাবাজদের আটকের চেষ্টা চলছে।
এসআই আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, ঘটনায় উভয় পক্ষই পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। তবে বোমা বিস্ফোরণের দায় কেউ স্বীকার করেনি। ঘটনার সূত্রপাত যাদের নিয়ে তারা এক অপরকে উদ্দেশে বলছে ভাড়াটে বোমাবাজদের নিয়ে এ অঘটন ঘটিয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বোমাবাজদের অপতৎপরতায় মানুষ এখন আতংকে। বোমাবাজরা যখন এলোপাতাড়ি বোমা নিক্ষেপ করে তখন কারোর জীবন নিরাপদ থাকেনা। পথচারীরাও এর শিকার হন। দ্রুত বোমাবাজদের আটক দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

