http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!

রোহিঙ্গারা ঈদের নামাজও পড়তে পারেনি!
    A+ A A-

কাগজ ডেস্ক : মিয়ানমারের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর রাখাইন রাজ্যে জরুরি আইনের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা শহরে ও গ্রামগঞ্জের মসজিদগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। এর ফলে মুসলমানেরা পবিত্র ঈদের নামাজ মসজিদে আদায় করতে পারেননি। নিজস্ব ব্যবস্থায় ভয়ভীতির মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গারা ঈদের নামাজ আদায় করেছে।
বুধবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) টেকনাফের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাহিদ হাসান জানান, মিয়ানমার সরকার পুরো রাখাইন প্রদেশে জরুরি আইনের সময় আরও এক মাস বাড়িয়েছে। এ কারণে রাখাইন প্রদেশের মুসলমানেরা তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের নামাজ মসজিদে আদায় করতে পারেনি। পুরো রাখাইন প্রদেশের শহর ও গ্রামগঞ্জের মসজিদগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন। জরুরি আইনের সময় বাড়ানোয় দুই-তিনজনের বেশি মানুষ জড়ো হয়ে আলাপ আলোচনা করতে পারছেন না।
মংডুর লেমচিপাড়া গ্রামের একটি সূত্র জানায়, পুরো আরকান রাজ্যের মসজিদগুলো তালাবদ্ধ ও জরুরি আইনের মেয়াদ বৃদ্ধি করায় রোহিঙ্গা মুসলমানেরা পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেনি।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জহিরুল ইসলাম জানান, ঈদের কয়েক দিন আগে থেকে আরকান রাজ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। ফলে উখিয়ার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবির সদস্যরা সতর্ক রয়েছেন, যাতে কোনো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে।

ফাস্ট কলাম -এর সকল খবর