আজ বৃহস্পতিবার, ২ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৭ আগস্ট ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম: মৎস্য সেক্টরে ৩৪ কোটি টাকার উন্নয়ন        যশোর কালেক্টরেট চত্বরে পড়ে থাকা আরো ৫১টি গাড়ীর নিলাম       পাউডার মিল্ক দিয়ে দই ও খাবার সোডা দিয়ে রসগোল্লা তৈরি গনেশ সুইটসকে জরিমানা       দেশের সার্বিক উন্নয়ন চাইলে আ’লীগ সরকারের কোনো বিকল্প নেই       বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙ্গালীর স্বপ্নদ্রষ্টা : এমপি মনির       বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে : এমপি স্বপন        ২০২১ সালের মধ্যে দেশের কোথাও বিদ্যুতবিহীন থাকবে না : আফিল        কেশবপুরে কাউন্সিলরের ছেলের হাতে এ মাসে ছাত্রলীগ নেতাসহ আহত ৯        আজ ব্যর্থ হলে এ বছর আর এইচএসসিতে ভর্তি হওয়া যাবে না       আজ ৩৭ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের সাথে ইসির সংলাপ       
যমেক হাসপাতালের কতিপয় ডাক্তারের কমিশন বাণিজ্য
যত টেস্ট তত টাকা!
আশিকুর রহমান শিমুল :
Published : Sunday, 13 August, 2017 at 12:23 AM
যত টেস্ট তত টাকা!‘যত টেস্ট তত টাকা’। এমনই নীতিতে চলছেন যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কতিপয় ডাক্তার। যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেসক্রিপশনে যত বেশি প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার নাম উল্লে¬খ থাকবে, ততই কমিশন পাবেন কতিপয় ডাক্তার। তবে তা সরকারি হাসপাতাল থেকে নয়, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে করাতে হবে।
কমিশন বাণিজ্যে রোগী না চাইলেও তাদের বাধ্য করা হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করাতে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লি¬ষ্ট ডাক্তার পান শতকরা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ কমিশন। রাজনৈতিক ক্যাডার, ফার্মেসি ও ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল, সাংবাদিক নামধারী প্রতারক, নার্স ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী দালাল চক্র। এদের সাথে যুক্ত আছে হাসপাতালে কর্তব্যরত কতিপয় পুলিশ সদস্য।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ফার্মেসির দালালরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিন সিফটে নিজেদের দায়িত্ব ভাগ করে হাসপাতালে অবস্থান করে। রোগী হাসপাতালে পা দেয়ার সাথে সাথে ওই দালাল প্রতারক চক্রের সদস্যরা স্বজনদের কাছে নিজেদের সাহায্যকারী দূত হিসেবে আস্থা অর্জন করে ফেলে। উপকারের নামে রোগী ও স্বজনদের পাশে দাঁড়ায়। এরপর শুরু হয় ফার্মেসির দালালদের কারসাজি। এরা স্বজনদের কাছ থেকে নেওয়া ওষুধের স্লিপটির ভিতরে কৌশলে দামি ওষুধের নাম লিখেন। এমনকি ওয়ান মিলি গ্রাম ইনজেকশনের স্থানে দুই মিলি গ্রাম বাড়তি অর্থ হাতিয়ে। এমন সহ¯্র প্রমাণ রয়েছে।
৭ আগস্ট নুসরাত জাহান (২২) নামে এক গৃহবধূ পারিবারিক কলহের জের ধরে কীটনাশক পান করে হাসপাতালে ভর্তি হন। এ সময় মনির ফার্মেসীর সাঈদ ও শুভ তাদের বিভিন্ন সহযোগিতা করেন। সেবিকারা স্বজনদের হাতে ওষুধের স্লিপ ধরিয়ে দেয়ার পর দালালরা নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ বাকিতে দেন। পরে স্বজনরা ওষুধের দোকানে বাকি টাকা দিতে গেলে তাদের কাছে চাওয়া হয় ২৭শ’ টাকা। যা অন্য ফার্মেসি থেকে কিনলে দাম পড়বে ১৭শ’ টাকা।
খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে, হাসপাতালের সামনের ৭টি ওষুধ ফার্মেসির অর্ধশত নিয়োগকৃত দালাল রয়েছে। তারা হচ্ছে, মনি ফার্মেসির সাগর, হোসেন, আবু সাঈদ, রামজান, শুভ ও ভুট্টো। মেহেদী ফার্মেসির আশিকুর রহমান আশিক। শান্ত ড্রাগ হাউজের উকিল। শুভ ড্রাগ হাউজের সাব্বির, রনি, পারভেজ হোসেন ও কাশেম আহম্মেদ। আজিজ মেডিকোর রিপন হোসেন। হাজেরা ড্রাগ হাউজের মোটা বাবু, দিপ, বাঁধন। বাপ্পি ড্রাগ হাউজের ঘেনা ও মহাসিন ।
একই দিন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের মেহেদি হাসান (৩০) পেটে ও বুকে ব্যাথায় ভুগছিলেন। ডাক্তার রোগী দেখে আলট্রাসনোগ্রাম করতে বলেন। ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরোনোর পর এক যুবক এসে প্রেসক্রিপশনটি দেখতে চান। দেখে বলেন, হাসপাতালের এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন নষ্ট। বাইরে থেকে পরীক্ষার ফল ভালো আসে। ওই যুবকের পরামর্শ অনুসারে স্ক্যান ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে ৮শ’৫০ টাকায় এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম করান। পরে হাসপাতালে এসে জানতে পারেন এ দুটি পরীক্ষাই হাসপাতালে হচ্ছে মাত্র ২শ’৯৫ টাকায়।
ঝিকরগাছা গ্রামের লুৎফর রহমান (৪০) জানান, এক নিকট আত্মীয় হাসপাতালে আসেন চিকিৎসাসেবা নিতে। তবে লাইফ কেয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালেরা ওই ক্লিনিক থেকেই পরীক্ষার জন্য প্রভাবিত করেন এবং হাতিয়ে নেন ১৩শ’ টাকা। হাসপাতালের টিকিট কাউন্টার থেকে করোনারী কেয়ার ইউনিটের সামনে সব সময় স্ক্যান ও লাইফ কেয়ারের একাধিক দালাল অবস্থান করে থাকে।
ক্লিনিক দালালরা হলো, ঘেনা, সুমন, মোটা সুমন, হাসু, তছির, হিটু, রাসেল, মনির, সোহেল ও সোলাইমান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক দালাল জানিয়েছেন, প্রতিদিন হাসপাতালে কর্মরত পুলিশদের নাস্তা বাবদ সকল দালালকে ৫০ টাকা কমিশন দিতে হয়। যারা টাকা দেয়না তাদেরকে পুলিশ ধরে বিভিন্ন হয়রানী করে।
বহিরাগত দালালদের কাছ থেকে প্রতারণার শিকার হওয়া রোগী ও স্বজনরা কোন মতে দুঃখ-কষ্ট সইতে পারলেও ডাক্তার, নার্স  কিংবা হাসপাতালেরই কর্মচারীদের কাছ থেকে যখন প্রতারণার শিকার হন তখন সান্ত¡না খুঁজে পান না তারা।
১০ আগস্ট সকাল ১১টা। হাসপাতালের শিশু বর্হিবিভাগের সামনে রোগীর দীর্ঘ লাইন। ১১৫ নম্বর রুমে রোগী দেখছেন হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আব্দুস সামাদ। মঙ্গলবার যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের তীরেরহাট গ্রামের হায়দার আলীর শিশু কন্যা ইভার (৬) বেশ কিছুদিন পেটে ব্যথা। সকালে এসেছেন হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসকের চেম্বারে। তার নাড়ি টিপে দেখেন, প্রেসার মাপেন। কোথায় ব্যথা, ব্যথাটা কোন দিক থেকে কোন দিকে অনুভূত হয় ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করে রোগীর স্বজনদের উদ্দেশ্য করেন। প্রেসক্রিপশনে কোন প্রকার ওষুধ না লিখেই ওই রোগীর আল্ট্রাসনো করানোর জন্যে মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নাম উল্লেখ করে পাঠিয়ে দেন। রোগীর স্বজন তখন চিকিৎসক সামাদকে বলেন মাত্র দুদিন আগেই তো আল্ট্রাসনো করালাম, এর মধ্যে কি এমন হলো যে আবার করাতে হবে? এমন প্রশ্নে বিব্রত হলেন ওই চিকিৎসক। আমতা আমতা করে বলেন ‘নাহ আর একটা করলে ভাল হতো’। এর পরেই প্রেসক্রিপশনে খচখচ করে কয়েকটি ওষুধ লিখে সাতদিন পর দেখা করতে বললেন রোগীর স্বজনকে।
সকালে দীর্ঘলাইন পার করে পেয়েছেন একটি টিকিট ঝিকরগাছা শহরের মোতাহার আলী। বেশ কিছুদেন ধরে দাঁতে ব্যথায় ভুগছেন। ১১০ নাম্বার রুমে রুগি দেখছেন ডেন্টাল সার্জন ডাক্তার মাহবুবুর রহমান। সকাল ১১টার দিকে অবশেষে ডাক্তারের চেম্বারে যাবার সুযোগ হলো তার। ডাক্তার রোগীর কথা শুনার আগেই দাঁতের একটি এক্স-রে লিখে দিলেন। যা বেসরকারি ক্লিনিক প্রাইম থেকে করিয়ে আনতে বললেন। দুপুর ১২টায় ডাক্তারের দেয়া ক্লিনিক থেকে এক্স-রে করিয়ে আনলেন। তারপর ডাক্তার জানালেন এই অপারেশন সরকারি হাসপাতলে সম্ভব নয়। কিছু টাকার ব্যবস্থা করে নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারে যোগাযোগ করতে বলে রোগীকে বিদায় দিলেন।
চৌগাছা উপজেলার কাদবিলা গ্রামের শাহানাজ পারভিন (৩০)। বেশ কিছুদিন ধরে তার জ্বর অনুভূত হচ্ছে। সকাল ৯টায় এসেছেন হাসপাতালে। টিকিট কাউন্টার থেকে দীর্ঘ লাইন পাড়ি দিয়ে সাড়ে ১০টায় টিকিট সংগ্রহ করেন। তাকে সেবা নিতে হবে বর্হিবিভাগ ২/৪ কক্ষ থেকে। ২ নং কক্ষে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মাধবী রানী বিশ্বাস। টিকিট এন্ট্রি করে সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থেকে সাড়ে ১১ টায় পেলেন ডাক্তারের দেখা। তবে ডাক্তার মাধবী রানী বিশ্বাস রোগীর কথা না শুনেই ফাঁকা প্রেসক্রিপশনে গোটা পাঁচেক টেষ্ট লিখে দেন। আর ডাক্তারের রুম থেকে বের হতেই তার সহযোগী রোগী কোন ক্লিনিক থেকে এসব পরীক্ষা করাবেন তার সর্ট স্লিপ ধরিয়ে দেন। এ সময় শাহানাজ পারভিন ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, সকাল থেকে দাঁড়িয়ে থেকে অনেক কষ্টে ডাক্তারের দর্শন পেলাম। তবে তিনি আমার কি রোগ হয়েছে না শুনেই একগাদা টেস্ট লিখে দিলেন।
বাঘারপাড়া হলিহট্ট গ্রামের মনসেফ আলী (৫৫)। গাছ থেকে পড়ে তার পা ভেঙেছে। এসেছেন সরকারি হাসপাতালে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা নিতে। ১২৩ নম্বর কক্ষে রোগী দেখছেন সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাক্তার সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি রোগীকে সরাসরি জানিয়ে দিলেন যাও পা ভেঙেছো, বড্ড ভালো কাজ করেছো। ল্যাব এইডের ঠিকানা দিয়ে বললেন, এখন একটি ডিজিটাল এক্স-রে করিয়ে নিয়ে আসো, দেখি কি করা যায়। এক্স-রে করিয়ে আনার পর জানানো হলো হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। তোমার পায়ের অবস্থা বেশি ভালো না। তুমি চাইলে আমার তত্ত্বাবধানে ক্লিনিক থেকে তাড়াতাড়ি অপারেশন করিয়ে নিতে পারো।
শহরের ঝুমঝুমপুর এলাকার আলী হোসেনের স্ত্রী রোকসানা খাতুন (১৮) ৬ মাসের গর্ভবতী। এসেছেন হাসপাতালের গাইনী বিভাগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে। বর্হিবিভাগের ১১৩ নম্বর কক্ষে রোগী দেখছেন ডাক্তার লুৎফুন্নাহার লাকি। তার কাছে রোকসানা খাতুন আসতেই আলট্রাসনোগ্রাম করাতে বলা হয়। তিনি হাসপাতাল থেকে আলট্রাসনোগ্রাম করিয়ে আনলে ডাক্তার লুৎফুন্নাহার লাকি তাকে ধমক দিয়ে বলেন একি করিয়েছেন, কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। আপনাকে না বলেছিলাম বাইরের ক্লিনিক থেকে করিয়ে আনতে। ডাক্তারের থেকে যখন বেশি বুঝেন তখন নিজে নিজের চিকিৎসা না করিয়ে এখানে এসেছেন কেনো?
হাসপাতালের একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, ডাক্তার লুৎফুন্নাহার লাকির খারাপ ব্যবহারে রোগী ও রোগীর স্বজনরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন। তার পছন্দের ক্লিনিক কুইন্স থেকে পরীক্ষা না করালে তিনি ক্ষিপ্ত হন এবং রোগীর টিকিট ছুড়ে ফেলে দেন। চিকিৎসা সেবা দিতেও তিনি অস্বীকার করেন। ক্ষমতাসীন চিকিৎসকদের সংগঠনের একটি পদ ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন হাসপাতালের একটি চেয়ার দখল করে রোগীদের ঠকাচ্ছেন।
মশিয়ার রহমান নামে এক রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা কমিশন বাণিজ্যের কাছে জিম্মি হয়ে গেছি। শুধুমাত্র কমিশনের লোভে অহেতুক টেস্ট করাতে বললেন। এগুলো দেখার কী কেউ নেই? এই কমিশন বাণিজ্যের মধ্য দিয়েই চলছে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক শ্রেণির চিকিৎসক।
শুধু মশিয়ার রহমান নন, তার মতো শত শত মানুষ প্রতিদিন কতিপয় ডাক্তার, ক্লিনিক দালাল, এমনকি হাসপাতালের কর্মচারী, সাংবাদিক নামধারী প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে বাধ্য হচ্ছেন। হাসপাতালে টহলরত পুলিশ সদস্যরা প্রকাশ্যে এসব অনিয়ম-দুর্নীতি দেখছেন আর কমিশন খাচ্ছেন। দালালদের কাছ থেকে চা-নাস্তা ও বাদাম খাওয়ার টাকা নিয়ে তারা চুপ থাকেন বলে জোর প্রচার রয়েছে।
এসব বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার একেএম কামরুল ইসলাম বেনু গ্রামের কাগজকে জানান, বহিরাগত দালালদের নিয়ন্ত্রণ করা তার একার পক্ষে শতভাগ সম্ভব নয়। তারপরও চেষ্টা চলছে। টিআইবি যশোরের সনাক পরিচালিত ইয়েস গ্রুপের মাধ্যমে রোগীদের সঠিক সেবা নিশ্চিতকরণের প্রাথমিক উদ্যোগ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। আরো নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। হাসপাতালের কতিপয় ডাক্তারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ আসছে। কিছু কর্মচারীও এর সাথে জড়িত। তাদের সতর্ক করা হয়েছে। না শুধরালে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও খবর
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft