আজ মঙ্গলবার, ১২ বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৫ এপ্রিল ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম: সুনামগঞ্জে হাওরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার       বাংলাদেশকে পানি দেব না বলিনি : মমতা       প্লাস্টিক বর্জ্য সরাবে শুঁয়োপোকা!       ১১ মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ফের পেছাল       পরমাণু অস্ত্রবাহী মার্কিন ডুবোজাহাজ কোরীয় জলসীমানায়       যশোরাঞ্চলে ধানে ব্লাস্ট রোগের পর এবার ঝড়-শিলাবৃষ্টি       বেনাপোলে ৮ সোনার বারসহ পাচারকারী আটক       ঝড়ে যশোরের বিআরবি স্কুল ও নতুনহাট পাবলিক কলেজের ঘরের ছাউনি উড়ে গেছে       যশোরে পৃথক ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু       খুনীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে যশোরে বিক্ষোভ       
সাবেক এসপি বাবুলের বিরুদ্ধে এবার হত্যার অভিযোগ এনে ঝিনাইদহে ৫ বোনের সংবাদ সম্মেলন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :
Published : Saturday, 18 February, 2017 at 12:46 AM
সাবেক এসপি বাবুলের বিরুদ্ধে এবার হত্যার অভিযোগ এনে ঝিনাইদহে ৫ বোনের সংবাদ সম্মেলনবহুলালোচিত সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ শাখার এসআই আকরাম হত্যার অভিযোগ এনে ঝিনাইদহে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন আকরামের ৫ বোন। শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন আকরামের সেজো বোন জান্নাত আরা পারভীন রিনি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, খুলনায় বাবুল আক্তারের বাবা পুলিশে ও নিহত আকরামের স্ত্রী বর্নীর বাবা বিআরডিবিতে চাকরি করতেন। থাকতেন পাশাপাশি বাসায়। সেই সুবাদে বাবুল-বর্নীর মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু ২০০৫ সালের ১৩ জানুয়ারি আকরামের সঙ্গে বিয়ে হয় বর্নীর। অন্যদিকে পারিবারিকভাবে মিতুকে বিয়ে করেন বাবুল। কিন্তু বিয়ের পরও বাবুল আর বর্নীর মধ্যে যোগাযোগ ছিল। বিষয়টি জানা-জানি হয় বিয়ের পর। এরই মাঝে আকরামের একটি সন্তান হয়। সন্তান জন্মকালে বর্নী যখন হাসপাতালে ছিলেন তখন প্রতিদিনই এসপি বাবুল আক্তারের ভাই সাবু ও তার বোন লাবনি হাসপাতালে দেখাশুনা করতেন। হাসপাতাল থেকে রিলিজ করার পর বর্নীকে বাবুল আক্তারের বোন লাবনীর বাসায় নিয়ে তোলা হয়। নানাভাবে বর্নীর সাথে যোগাযোগ করতো বাবুল আক্তার। এস আই আকরাম বিদেশে মিশনে থাকা অবস্থায় ঘন্টার পর ঘন্টা বাবুল আক্তারের সাথে কথা বলতো বর্নী।
২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর আকরামকে যমুনা সেতু হয়ে ঢাকা আসার পরামর্শ দেয় বর্নী। কিন্তু সে বাবুলের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে এ পথে সন্ত্রাসী দিয়ে পথিমধ্যে আটকে রাখে। পরে তারা হত্যার উদ্দেশ্যে ধারাল অস্ত্র দিয়ে মাথার পিছনে গুরুতর জখম করে। আকরামকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আকরামের অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর ও পরে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।
জান্নাত আরও অভিযোগ করেন, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকাকালে আকরামের অবস্থার উন্নতি হয়। এই অবস্থায় দ্বিতীয়বার হত্যার উদ্দেশ্যে বর্নী স্যুপের সাথে বিষ মিশিয়ে আকরামকে খাওযায়। এতে ১৩ জানুয়ারি ২০১৫ তে আকরাম মারা যায়। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার স্ত্রী বর্নী আকরামের লাশ গ্রহণ করে। তখন পুলিশ ঘটনাটিকে সড়ক দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করে। পরে ঝিনাইদহে এনে দাফন করা হয়। বর্নীর বাবা একমাত্র জামাইয়ের জানাজায় অংশ না নিয়ে বর্নীসহ পরিবারের অন্যদের নিয়ে বাবুল আক্তারের মাগুরার বাড়ীতে গিয়ে ওঠেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ময়নাতদন্তের সময় চিকিৎসকরা বলেছিলেন আকরামের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তখনই সন্দেহ হয় এটি হত্যাকান্ড। কিন্তু ওই ঘটনায় থানায় মামলা নেয়নি পুলিশ। এছাড়া তৎকালীন পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি তার পরিবার। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি আদালতে মামলা করা হয়। এ সময় রিনি আরো অভিযোগ করেন তার ভাইকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসার সময় বর্নীর সাথে তার ফুফাতো ভাই সাদিমুল ইসলাম মুন উপস্থিত ছিল। তিনি বলেন মুনের বাড়ি পাবনার ঈশ্বরদী। সে ওই রাতে কি ভাবে সেখানে এলো। মুন তার ভাইয়ের হত্যার সাথে জড়িত বলে তিনি অভিযোগ করেন। পরে লাশ পুনরায় তুলে ময়না তদন্ত করা হয়। রিপোর্টে প্রভাবিত করে বাবুল আক্তার।
এ ঘটনায় ভাই হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে আকরামের তার বড় বোন রেহানা আলম গিনি, মেজবোন ফেরদৌস আরা চিনি, সেজবোন জান্নাত আরা পারভীন রিনি,শাহনাজ পারভীন রিপা ও ছোটবোন শামীমা নাসরীন মুক্তি।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft