আজ মঙ্গলবার, ১২ বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৫ এপ্রিল ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম: সুনামগঞ্জে হাওরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার       বাংলাদেশকে পানি দেব না বলিনি : মমতা       প্লাস্টিক বর্জ্য সরাবে শুঁয়োপোকা!       ১১ মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ফের পেছাল       পরমাণু অস্ত্রবাহী মার্কিন ডুবোজাহাজ কোরীয় জলসীমানায়       যশোরাঞ্চলে ধানে ব্লাস্ট রোগের পর এবার ঝড়-শিলাবৃষ্টি       বেনাপোলে ৮ সোনার বারসহ পাচারকারী আটক       ঝড়ে যশোরের বিআরবি স্কুল ও নতুনহাট পাবলিক কলেজের ঘরের ছাউনি উড়ে গেছে       যশোরে পৃথক ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু       খুনীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে যশোরে বিক্ষোভ       
প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন
পুলিশ মামলা নেয়নি, মেয়ে হত্যার বিচার দাবিতে কাঁদলেন মা
কাগজ সংবাদ :
Published : Thursday, 12 January, 2017 at 12:27 AM
পুলিশ মামলা নেয়নি, মেয়ে হত্যার বিচার দাবিতে কাঁদলেন মা‘আমার মেয়ে বিথীকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন নির্যাতন করে হত্যা করেছে। থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে ১১ জানুয়ারি দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলে ফুঁফিয়ে ফুঁফিয়ে কেঁদে উঠলেন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার কানাইরালী গ্রামের পারুল বেগম নামে এক মহিলা। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, মেয়ের হত্যাকারীদের বিচার চেয়ে বিভিন্ন মহলে দিনের পর দিন ঘুরছি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, মেয়ের স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে মেয়ে খাদিজা আক্তার বিথীকে হত্যা করলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে হত্যার তিন সপ্তাহ পর বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত যশোরে মামলা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পারুল বেগমের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মৃত খাদিজা আক্তার বিথীর নানা রুহুল আমিন। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ঝিকরগাছার বেনেয়ালি গ্রামের আবু তালেবের ছেলে সোহাগের সাথে ৬ বছর আগে খাদিজার বিয়ে দেয়া হয়। এরপর থেকে যৌতুকের জন্য বিথীর উপর নির্যাতন শুরু হয়। বাধ্য হয়ে প্রথম দফায় সোহাগের বিদেশ যাওয়ার জন্য ৩০ হাজার টাকা দেয়া হয়। বিদেশ থেকে বাড়ি এসে গাড়ি কেনার জন্য টাকার দাবিতে নির্যাতন করলে দেয়া হয় ৪০ হাজার টাকা। পরে আবার বিদেশ যেতে টাকা চেয়ে নির্যাতন শুরু করে। এসময় জামাইকে আরও এক লাখ ৫০ হাজার টাকা দেয়া হয়। এরপর সোহাগের পিতা আবু তালেব এসে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পর বিথীর কাছে থাকা স্বর্ণের গহনা নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সে দিতে অস্বীকার করায় ২০১৬ সালের ১০ ডিসেম্বর ব্যাপক মারপিট করে। ১১ ডিসেম্বর কুইন্স হাসপাতালে (রেজিঃ নং ০৭৬৭২) ভর্তি করা হয়। ১২ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিথী মারা যায়। এ খবরে পালিয়ে যায় তার স্বামী সোহাগ। এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ গ্রহণ করেনি। সর্বশেষ গত ২ জানুয়ারি যশোর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে।  আসামি করা হয়েছে ঝিকরগাছা বেনেয়ালীর আবু তালেবের ছেলে সোহাগ, স্ত্রী শাহানাজ, মৃত কাদের মোড়লের ছেলে আবু তালেব ও নাজিমের স্ত্রী শাপলাকে। সংবাদ সম্মেলনে নিহতের মা পারুল বেগমের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন ছেলে ওলিয়ার রহমান, মেয়ে নুর নাহার সাথীসহ স্বজনরা।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft