শিরোনাম: এখনই ডিপিএল শুরু করা সম্ভব নয় : পাপন       নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি প্রকাশ্যে       মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ছাত্রের মৃত্যু       বাংলাদেশসহ এশিয়া অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাই স্থগিত       চট্টগ্রামে আরো ১৪৯ জন করোনায় আক্রান্ত       ঠোঁটের কালচে দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়       বেঙ্গালুরুতে ব্যাপক বিক্ষোভ, পুলিশের গুলিতে নিহত ৩       সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে সেভিয়া       সাতক্ষীরায় একই মাদ্রাসা থেকে ২ ছাত্র নিখোঁজ       তুর্কি ড্রোন হামলায় দুই ইরাকি কমান্ডারের মৃত্যু      
উপরে পুলিশ ক্যাম্প, নিচে বন্ধু আবাসিকে অসামাজিক কাজ
অভিজিৎ ব্যানার্জী
Published : Wednesday, 15 July, 2020 at 12:55 AM
উপরে পুলিশ ক্যাম্প, নিচে বন্ধু
আবাসিকে অসামাজিক কাজ উপশহর খাজুরা বাসস্ট্যান্ডের একটি বহুতল ভবনের ওপরে পুলিশ ক্যাম্প, আর নিচে বন্ধু আবাসিক হোটেলে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েকজন যৌনকর্মীকে রেখে আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষ চালাচ্ছেন অনৈতিক কারবার।
এ ঘটনায় উপশহর ফাঁড়ি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার মানুষ। যদিও ফাঁড়ি ইনচার্জের দাবি, বিষয়টি পুলিশ জ্ঞাত নয়।
যশোর উপশহর বাসস্ট্যান্ডের পাশের একটি ৩ তলা ভবনের দোতলায় উপশহর বন্ধু আবাসিক হোটেল। আর পুলিশ ক্যাম্প তৃতীয়তলায়। অভিযোগ রয়েছে, দোতলার কয়েকটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে এসএম সাইদুর রহমান সোহেল অনৈতিক কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি তার ভাড়া নেয়া এই হোটেলে মাঝে মধ্যে অবস্থান করেন আর হোটেল পরিচালনার জন্য মিজানুর রহমান ও জাকির নামে দু’জনকে দায়িত্ব দিয়ে দেহ ব্যবসার কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন।
সূত্রগুলোর দাবি, মিজানুর রহমান ও জাকির সকাল থেকে হোটেলের গেটের সামনে অবস্থান নেন। তারা তাদের নির্দিষ্ট খরিদ্দারদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডেকে নিয়ে তাদের হোটেলে থাকা যৌন কর্মীর কাছে হাজির করেন। হোটেল ম্যানেজার মিজানুর ও তার সহযোগী জাকির কয়েক যৌনকর্মীকে খুব সকালে হোটেলে তোলেন। এরপর তাদের একটি কক্ষে রেখে বাইরে থেকে তালা বদ্ধ করে রাখেন। পরে খরিদ্দারদের নাম্বারে ফোন করে মিজানুর রহমান ও জাকির ডেকে আনেন। চুক্তি করে যৌনকর্মীর কক্ষে ঢুকিয়ে আবার বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে দেন। বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই যে ভেতরে কেউ আছেন।
ভবনের নিচে ওই ভবনের ভাড়াটিয়া বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতির কয়েকজন জানান, পুলিশের সহযোগিতা ছাড়া বন্ধু আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা চলার সুযোগই নেই। উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এইচ এম এ লতিফের সাথে তাদের সখ্যতা রয়েছে। হোটেল মালিক নিজেকে পত্র পত্রিকা ও বিভিন্ন নিউজ সংস্থার পরিচয় দিয়ে থাকেন বলেও জানিয়েছেন বাস স্ট্যান্ডের কয়েকজন। যশোর উপশহর বন্ধু আবাসিক হোটেল ছাড়াও খুলনার দৌলতপুর এলাকায় সোহেলের আরো একটি আবাসিক হোটেল রয়েছে বলেও সূত্রের দাবি। ব্যবসার ঢাল হিসেবে এক সময়ের মাইকপট্টির আবাসিক গার্ডেন পরিচালনাকারী আব্দুল হালিম ও রেল রোডের হোটেল শাহানাজে বিশেষ দায়িত্ব পালনকারী ডাবলুকেও জড়িত করেছেন। করোনার মধ্যেও আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা চলায় উপশহর এলাকার ব্যবসায়ীরাও নানা প্রশ্ন তুলেছেন পুলিশের ভুমিকা নিয়ে।
এ ব্যাপারে উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই এইচ এম এ লতিফ জানিয়েছেন, তার সাথে ওই আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষের কোনো সখ্যতা নেই। তার নাম জড়ানো হলেও তা অহেতুক। উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের নামে যদি কেউ আবাসিক হোটেল থেকে সুবিধা নেন তাহলে তাকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান। 




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft