শিরোনাম: যশোরে করোনায় সংক্রমিত হয়ে প্রথম মারা গেলেন শিল্পপতি আমির হোসেন       চালু হচ্ছে বিমানের যশোর-ঢাকা ফ্লাইট       অপহৃত শরিফুল উদ্ধার       যশোরে ডাক্তারসহ নতুন আরও দু’জন করোনায় আক্রান্ত       ‘কাবুল ছিলেন জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের সৈনিক’       বাঘারপাড়ায় নৈশ প্রহরীকে মারপিটের ঘটনায় পাল্টা মামলা       যশোরে অস্ত্র মামলায় সন্ত্রাসী বুনো আসাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট       যশোরে গণপরিবহনে সরকার নির্ধারিত হারেই ভাড়া নেয়া হচ্ছে       বাঘারপাড়ায় করোনামুক্ত হলেন বৃদ্ধা রোকেয়া খাতুন        লোহাগড়ায় বখাটেকে গণধোলাই      
রাজশাহী কারাগারের ৫০০ কয়েদিকে মুক্তির সুপারিশ
রাজশাহী ব্যুরো :
Published : Thursday, 9 April, 2020 at 10:55 AM
রাজশাহী কারাগারের ৫০০ কয়েদিকে মুক্তির সুপারিশরাজশাহী কেন্দীয় কারাগারে বর্তমানে বন্দী রয়েছেন প্রায় ৩ হাজার ৪০০। অথচ কারাগারে ধারণক্ষমতা মাত্র ১ হাজার ৪৫০ জন। অর্থাৎ ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি বন্দীকে ঠাসাঠাসি করে কারাগারে রাখা হচ্ছে। কিন্তু প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ঝুঁকি বাড়ছে কারাগারে।
ফলে পরিস্থিতি বিবেচনায় ৫০০ কয়েদিকে মুক্তি দিতে সুপারিশ করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে কারা অধিদফতরে এ তালিকা পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন।
তিনি জানান, তালিকার বেশিরভাগই সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি। কারও কারও সাজার মেয়াদ শেষ। তালিকায় বিচারাধীন মামলার মাত্র ১৬ জন হাজতি রয়েছেন। তারা ৫১ ও ৫৪ ধারায় গ্রেফতার। পুলিশ অধ্যাদেশে গ্রেফতার হওয়া কয়েকজনও রয়েছেন। লঘু অপরাধের মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই তারা বন্দি। তবে তালিকায় হত্যা, ধর্ষণ, এসিড মামলার সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি বা আসামিদের রাখা হয়নি।
সিনিয়র জেল সুপার আরও বলেন, ৩০ বছর কারাদণ্ডকে যাবজ্জীবন সাজা ধরা হয়। কারাগারে কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়লে ২২ বছরের মতো বন্দী থাকলে যাবজ্জীবন সাজা খাটা শেষ হয়ে যায়। রাজশাহী কারাগারে ১২৮ জন বন্দী আছেন, যাদের সাজার মেয়াদ শেষ অথবা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্দী আছেন। মুক্তির জন্য তালিকায় রাখা হয়েছে তাদের নাম।
গিয়াস উদ্দিন বলেন, কারা অধিদপ্তর আমাদের কাছে তালিকা চেয়েছে। আমরা তালিকা দিয়েছি। সেটি মন্ত্রণালয়ে যাবে। সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের মুক্তির ব্যাপারে রাষ্ট্র যে কোনো সময় সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু বিচারাধীন মামলার হাজতিদের মুক্তি কেবল আদালতেই হতে পারে। সেক্ষেত্রে আদালত বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাদের জামিন দিতেও পারেন।
কারা সূত্র জানায়, কারাবিধির ৫৬৯ ধারা অনুসারে কোনো বন্দী তার সাজার মেয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ খাটলে এবং সেই বন্দীর বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ না থাকে তবে সরকার চাইলে বিশেষ সুবিধায় তাকে মুক্তি দিতে পারে।
এজন্য রাষ্ট্রপতির কোনো অনুমোদনেরও প্রয়োজন হয় না। তবে তালিকা খতিয়ে দেখার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর তা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে বন্দীকে মুক্তি দেয়া সম্ভব হয়।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft