শিরোনাম: মানুষের মন জয় করে বিদায় নিচ্ছেন রামগড়ের ইউএনও বদরুদ্দোজা       কেশবপুরে দুই দল মাদক বিক্রেতার মধ্যে গুলি বিনিময়, নিহত ১       বাগেরহাটে করোনায় আক্রান্ত আরও ২৬ জন        জয়পুরহাটে ফেন্সিডিলসহ ২ মাদক কারবারি আটক       নদী ভাঙন রোধে তিস্তায় বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন       নাটোরের বড়াইগ্রামে করোনা জয়ী উপজেলা চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা       চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাসচাপায় প্রধান শিক্ষক নিহত       বরগুনায় বাকি টাকা চাওয়ায় দোকানদারকে মারধর করলো ড্রাইভার লিটন       বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ হাজার মানুষকে সহায়তা দেবে ইইউ       করোনায় মারা গেলেন টিভি ব্যক্তিত্ব বরকতউল্লাহ      
যশোরে পেঁয়াজ দাম আর কমেনি : সবজিতে কিছুটা বেড়েছে
কাজী ফারহানা সুচী ও শিলা খাতুন :
Published : Wednesday, 20 November, 2019 at 6:49 AM
যশোরে পেঁয়াজ দাম আর কমেনি : সবজিতে কিছুটা বেড়েছেযশোরের বাজারের পেঁয়াজের দাম আর কমেনি। পরশুর মতো মঙ্গলবারও প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়। তবে রসুনের দাম কেজিতে ২০ টাকার মতো কমে সর্বোচ্চ একশ ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। অরিবর্তিত ছিল আদার দামও। প্রতিকেজি আদা মঙ্গলবারও বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকায়।
অন্যদিকে শিতকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও সকালের দিকে বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম কেজি ভেদে ৫ থেকে ২০ টাকা বেশিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কিছু পাশাপাশি কিছু সবজির দামও কমেছে ৫ থেকে ১০ টাকা কেজিতে। পুরো একশ টাকা কেজি বেশিতে বিক্রি হয়েছে ধনেপাতা।
মঙ্গলবার যেসব সবজি বেশি দামে বিক্রি হয়েছে সেগুলো হলো ফুলকপি কেজিতে ১০ টাকা, বাঁধা কপি ৫ টাকা, মুলা ১০ টাকা, বেগুন ১০ টাকা, কচুরমুখি ১০ টাকা, ঢেড়স ১০ টাকা, মিস্টি কুমড়া ১০ টাকা, মানকচু ৫ থেকে ১০ টাকা, পুঁইশাক ৫ টাকা, লাল শাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, গাজর ২০ টাকা এবং ধনেপাতা একশ টাকা।
যেসব সবজি কম দামে বিক্রি হয়েছে সেগুলো হলো সিম কেজি প্রতি ১০ টাকা, পালংশাক আটি প্রতি ১০ টাকা, উচ্ছে কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা, ওল পাঁচ টাকা, চাল কুমড়া প্রতি পিচ পাঁচ টাকা।
তবে, দুপুরের পর থেকে সবজির বাড়তি দামে কিছুটা লাগাম টানেন বিক্রেতারা। বিকেলের দিকে তা আরও একটু কমে আসে।
বিক্রেতারা জানান, সকালের দিকে টাটকা সবজির চাহিদা একটু বেশি থাকে। সেসময় ক্রেতার ভীড়ও থাকে অনেক বেশি। বিশেষ করে যারা প্রতিদিন বাজার সেরে অফিস বা অন্যান্য কাজে বের হন তারা সকালের দিকে অত বেশি দামাদামি করেন না। সে কারণে এসময় দামটা একটু ভালো পাওয়া যায়। পরের দিকে জিনিসের মানও খুব একটা ভালো থাকে না। সে কারণে দামও কমাতে হয়। 




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft