শিরোনাম: পেঁয়াজের ঝাঁজে বিএনপি লাফাচ্ছে : ইনু       তারেক রহমান সন্ত্রাসী দলের যোগ্য নেতা : হানিফ       সামাজিক সূচকে আমরা ভারতের চেয়েও এগিয়ে : গণপূর্তমন্ত্রী       সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৪, আহত ৪২       দেশে ৭৪-এর দুর্ভিক্ষের প্রতিচ্ছবি দেখছেন সেলিমা       ভারতের সীমান্ত পাহারা দেবে স্যাটেলাইট       ক্ষমতা না ছাড়লে এবার পার পাবেন না : আ.লীগকে মান্না       চীনে কয়লা খনি দুর্ঘটনায় নিহত ১৫       খালেদা জিয়ার হাত-পা বেঁকে গেছে : বিএনপি       গণতন্ত্রের বাংলাদেশ এখন ‘স্বৈরতান্ত্রিক জাতিতে রূপান্তরিত’ : দুদু      
পায়রা বন্দরে ১০নং মহাবিপদ সংকেত
ঘূর্ণিঝর বুলবুল মোকাবেলায় প্রশাসনের প্রস্তুত
আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা উপকূলবাসীর
রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :
Published : Saturday, 9 November, 2019 at 5:50 PM
ঘূর্ণিঝর বুলবুল মোকাবেলায় প্রশাসনের প্রস্তুতঘূর্ণিঝর ‘বুলবুল’এ সৃষ্ট নিম্নচাপে বঙ্গোপ সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। একারণে পায়রা সমুদ্রবন্দর এলাকায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জাড়ি করা হয়েছে। এই নি¤œচাপের প্রভাবে পটুয়াখালী উপকুলীয় রাঙ্গাবালী উপজেলার সর্বত্র গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে। শুক্রবার বিকেল থেকে গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এরপর শনিবার ভোর থেকে টানা বর্ষণ শুরু হয়। দিনভর একটানা বর্ষণ হলেও আজ বিকেল থেকে থেমে থেমে মাঝারী ভারী বৃষ্টি চলছে। সন্ধা পরে আঘাত হানতে পারে ঘুর্ণিঝর বুলবুল। তবে দূর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন। মানুষের আশ্রয়ের জন্য ৫৮টি সাইক্লোন সেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেখানে ইতোমধ্যে তিন হাজারের অধিক লোক আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকে আবার সন্ধার আগে আশ্রায়কেন্দ্রে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এদিকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারী হওয়ার পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলীয় চরাঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ন এলাকার লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোড় চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ লোকজনই আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রকাশ করছে। সাগর তীরবর্তী লোকজন প্রকৃতির সাথে লড়াই করতে করতে অনেকটা অভ্যস্থ। যার কারণে  চরম পর্যায় না পৌছা পর্যন্ত অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্র যেতে চাচ্ছেনা।
বঙ্গোপসাগরের নীকটবর্তী এলাকা থেকে রাঙ্গাবালী ইউপি চেয়াম্যান সাইদুজ্জামান মামুন খাঁন জানান, তাদের এলাকার লোকজন পানি ও ঝড়ের সাথেই বসবাস করে থাকেন। দিনের বেলায় তাদের ভয় কম, এই কারণে লোকজন এখন সাইক্লোন সেল্টারে আসতে অনীহা প্রকাশ করছে। রাতের বেলায় লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে চলে আসবে। তবে ইতোমধ্যেই বেরিবাঁধহীন বিচ্ছিন্নদ্বীপ চর কাশেম থেকে ২শ’ পরিবারকে উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হয়েছে। তার এলাকায় ১৬ টি স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার রয়েছে।
রাঙ্গাবালী থানা অফিসার ইনচার্জ আলী আহম্মেদ জানান, মহাবিপদ সংকেত উপেক্ষা করে যেসব জেলেরা মাছ শিকারে বেড় হয়ে ছিল, শুক্রবার সকালে আমরা তাদেরকে নদী থেকে ফিরিয়ে এনেছি। এছাড়াও নদীর তীরবর্তি এলাকার সকলকে মাইকিং করে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সন্ধার আগে আশ্রায় কেন্দ্রে না এলে তাদেরকে আসতে বাধ্য করা হবে।
রাঙ্গাবালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা  মো. মাশফাকুর রহমান জানিয়েছেন, রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৫৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। তাতে ইতোমধ্যে তিন হাজার লোক আশ্রয় নিয়েছেন। সন্ধ্যার পরে ঝড় আঘাত হানতে পারে তাই অনেকেই বিকেলের দিকে আশ্রয় কেন্দ্রে আসবে। তবে এখন মাত্র ভাটা শুরু হয়েছে সন্ধ্যার দিকে পুরো ভাটা থাকবে। জোয়ারের সময় থাকলে ঝড় শুরু হলে জলোচ্ছাসের পরিমান বৃদ্ধি পায়। তখন বেশী ক্ষতি হয়। তিনি আরও জানান, আজও আগুনমুখা নদীতে এ দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়া উপক্ষো করে মাছ শিকাররত  কমপক্ষে ৫০ টি মাছ ধরা নৌকার জেলেদেরকে নদী থেকে জোড় করে উঠিয়ে দিয়েছেন তারা।
এ দিকে পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে বৃহস্পতিবার রাত ১২ টা থেকে আজ দুপূর ১২ টা পর্যন্ত ৪০.৮ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft