শিরোনাম: বিএনপির ‘মুখের ওপরে’ নিয়ন্ত্রণ নেই সরকারের : কাদের       যুবলীগের সপ্তম কংগ্রেস কাল       সিংড়ায় ৩ হাজার দরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ       রাণীনগরে আইন সহায়তা সম্পর্কিত উঠান বৈঠক       গাংনীতে এমপির বাসার পাশ থেকে ককটেল উদ্ধার       তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি       তারেকের নেতৃত্বেই আশার আলো দেখছেন ফখরুল       একটি মহল ক্ষমতায় আসতে না পেরে গুজব ছড়াচ্ছে : পরিকল্পনামন্ত্রী       ধান কেনার ক্ষেত্রে দরিদ্র কৃষকদের বেছে নেয়া হবে : কৃষিমন্ত্রী       মানবিক মূল্যবোধই ইসলামের মূল ভিত্তি : পুতিন      
রাজ্যে কোনো এনআরসি হবে না : অমিতকে হুঁশিয়ারি মমতার
কাগজ ডেস্ক :
Published : Tuesday, 22 October, 2019 at 8:10 PM
রাজ্যে কোনো এনআরসি হবে না : অমিতকে হুঁশিয়ারি মমতারবহু জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ করা হলো ভারতের আসাম রাজ্যে সংশোধিত নাগরিক তালিকা (এনআরসি)। গত ৩১ আগস্ট প্রকাশিত তালিকায় রাষ্ট্রহীন করা হয়েছে ১৯ লাখের বেশি বাঙালিকে। যদিও আসামের পর এবার গোটা দেশে প্রক্রিয়াটি চালু করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার। তবে কখনোই বাঙালি অধ্যুষিত রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হতে দেবেন না বলে এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সোমবার (২১ অক্টোবর) রাজ্যের শিলিগুড়িতে আয়োজিত এক সমাবেশে দেওয়া ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে কখনোই এনআরসি করতে দেওয়া হবে না। রাজ্যে কোনো ভাগাভাগি করতে দেব না। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন; আমরা আপনাদের পাহারাদার।’ খবর ‘আনন্দবাজার পত্রিকার’
এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে আলিপুর দুয়ারের এক জনসভায় উপস্থিত হয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়িত করতে পর্যায়ক্রমে গোটা দেশে এনআরসি চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। অমিত শাহ বলেছিলেন, ‘আসামের পর পশ্চিমবঙ্গে, এমনকি পর্যায়ক্রমে গোটা ভারতে এনআরসি করা হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতে আসা সকল অবৈধদের তাড়ানো হবে।’
যদিও এর জবাবে বারংবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলে এসেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে কিছুতেই এনআরসি করতে দেওয়া হবে না।’
তবে রাজ্যের উত্তরবঙ্গের সাধারণ জনতার অধিকাংশের মতই গিয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপির পক্ষে। তাছাড়া গোর্খা এবং রাজবংশীরাও এই এনআরসির পক্ষে তাদের মত দিয়েছিল।
এ দিকে উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে এনআরসি প্রকাশের পর চিত্রটা অনেকটাই বদলে গেছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমের দাবি, আসামে এনআরসি থেকে বাদ পড়া ১৯ লক্ষাধিক বাঙালির অধিকাংশই হিন্দু। তাছাড়া সেই তালিকায় রয়েছে গোর্খা এবং রাজবংশীরাও। মূলত এরপর থেকেই আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিঙের মতো উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে বিষয়টি নিয়ে প্রচারণায় নেমেছে মমতা নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস।
অপর দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেছেন, ‘আমরা রাজবংশী লোকদের ভালবাসি। এখন ওদের কাছে গিয়েও মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আমি আপনাদের ভালবাসি তাই বলছি, কারও কথায় ভুল বুঝবেন না; সিদ্ধান্তটা নিতান্তই আপনাদের। আসামে যারা বাদ পড়েছেন, তাদের ১৩ লাখ বাঙালি, ১ লাখ হিন্দিভাষী ও ১ লাখ পাহাড়ি জনগোষ্ঠী। যেখানে সেই বাঙালিদের মধ্যে অধিকাংশ রাজবংশীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।’
মমতার ভাষায়, ‘আমি তো ভাবতে পারি না যে, এই বাংলায় কেবল বন্দ্যোপাধ্যায়ই থাকতে পারবে। প্রয়োজন হলে বন্দ্যোপাধ্যায়ও থাকবে না, এখানে শুধু মানুষ থাকবে; আর তা কেবলই আপনারা।’




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft