শিরোনাম: `রোহিঙ্গাদের জন্য আর এক ইঞ্চিও বনভূমি দেয়া হবে না'       বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটি হবে বিশ্বমানের : তথ্যমন্ত্রী       প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ প্রবাহ বেড়েছে ১৯%       বাবরি মসজিদ মামলায় নতুন মোড়       দেশে ‘আওয়ামী অর্থনীতি’ প্রণীত হয়েছে : খসরু       উড্ডয়নের অপেক্ষায় বিশ্বের দীর্ঘতম বিরতিহীন ফ্লাইট       ‘শেখ হাসিনার আমলে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ’       আসামে বন্দিশালায় নিহত ২৬       জামায়াতকে তালাক দিয়ে রাস্তায় নামুন       পাকিস্তানের চাপ বাড়াতে সৌদি সফরে যাচ্ছেন মোদী      
ঢাকার সেই ক্যাসিনোতে যা হতো রাতের আধাঁরে
ঢাকা অফিস :
Published : Friday, 20 September, 2019 at 3:09 PM
ঢাকার সেই ক্যাসিনোতে যা হতো রাতের আধাঁরেঢাকায় যতগুলো আধুনিক বৈদ্যুতিক ক্যাসিনো জুয়ার বোর্ড আছে, সেগুলো অপারেট করতে চীন ও নেপাল থেকে অভিজ্ঞ লোক আনা হতো। তারাই এই বোর্ড নিয়ন্ত্রণ করতো। বিনিময়ে প্রতি মাসে বেতনও পেতো তারা।
গত বুধবারের অভিযানের পর এরকম কয়েকজন নাগরিকের পাসপোর্ট ও নাম ঠিকানা পাওয়া গেছে। তাদের কাছে ওয়ার্ক পারমিট আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে র‌্যাব।
বুধবার বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢাকার বনানী, মতিঝিল, ফকিরাপুল ও গুলিস্তানের ক্যাসিনোতে অভিযান চালায় র‌্যাব-৩ ও ১। ক্রীড়া সংগঠনের নামের আড়ালে এসব ক্যাসিনোর ভেতরের রঙিন আলো ও আধুনিক সাজসজ্জা দেখলে যেকারও চোখ ঝলসে যাবে। এসি রুমের এসব ক্যাসিনোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমনভাবে করা, যাতে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতেই ভয় পায়।
র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, ‘আমরা ক্যাসিনোতে চীন ও নেপালি নাগরিকদের পেয়েছি। এখানে তারা চাকরি করেন বলে জানিয়েছে। তবে সত্যি তাদের ওয়ার্ক পারমিট আছে কিনা, তা আমরা খতিয়ে দেখছি।’
এর আগে, বুধবার বেলা ৩টার দিকে প্রথমেই মতিঝিল থানার পেছনে ফকিরাপুল এলাকার ইয়ংমেন্স ক্লাবে অভিযান চালায় র‌্যাব। সে সময় কয়েকজন চীনা ও নেপালি নাগরিককে সেখানে পাওয়া যায়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তাদের তথ্য রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে নেপালের দুজনের নাম হলো ভূপেস ও সঞ্জয়। তারা ক্যাসিনোতে কাজ করেন।
এছাড়াও অভিযানে র‌্যাবের হাতে মেঘা ও লিজা নামের দুই তরুণীও আটক হয়। পরে তাদেরকেও ছেড়ে দেওয়া হয়। ক্যাসিনোতে তারা ‘ডিলার’ পদে চাকরি করেন বলে জানিয়েছেন।
লিজা বলেন, ‘ক্যাসিনোতে দুই সিফটে জুয়া খেলা হয়। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা এবং রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা। জুয়ার বোর্ডগুলো চীনা নাগরিকরা চালু করে। নেপালিরা বোর্ড পরিচালনা করে। তারা এগুলো অপারেট করতে দক্ষ।’
লিজা আরও বলেন, ‘আমরা মাসিক ও দিন হিসেবে এখানে চাকরি করি। আমরা কখনও রিসিপশনে, কখনও বোর্ডে দায়িত্ব পালন করি।’
মেঘা বলেন, ‘প্রতি শিফটে ৭০-৮০ জন মানুষ খেলে। কখনও বেশিও আসে। তবে রাতের বেলায় বেশি মানুষ থাকে।’ সেখানে অনেকে মাদক সেবন করে বলেও তারা জানিয়েছে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft