শিরোনাম: পাহাড়ে অহেতুক রক্তপাত হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী       বাংলাদেশকে বাড়তি ঋণ দিতে তৎপর বিশ্বব্যাংক       ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের দাবি জানালেন রব        পুলিশের সহায়তায় আল আকসায় ঢুকে পড়েছে কট্টরপন্থি ইহুদিরা       আবরার হত্যা ইস্যুতে হালে পানি পাবে না ঐক্যফ্রন্ট       তুরস্কের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ পরমাণু বোমা, দুশ্চিন্তায় ট্রাম্প       ‘আবরার হত্যায় বুয়েটের ভিসি জড়িত’        কুর্দিরা অস্ত্র সমর্পণ করলেই অভিযান বন্ধের ঘোষণা তুরস্কের       ছাত্রদল সভাপতি-সম্পাদককে আদালতে হাজিরের নির্দেশ       ভারত-পাকিস্তানের মাঝে গোলাগুলি, নিহত ৪      
পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন তিস্তা পাড়ের মানুষজন
বন্যাতে ডুবে গেছে রোপা আমন ক্ষেত
লালমনিরহাট সংবাদদাতা :
Published : Wednesday, 18 September, 2019 at 9:03 PM
পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন তিস্তা পাড়ের মানুষজনটানা প্রবল বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে তিস্তাপারের নিম্নাঞ্চল ও চর এলাকা। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন তিস্তা পাড়ের মানুষজন। অনেকে গবাদি পশু-পাখি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে বাড়ি-ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন।
মঙ্গলবার রাত থেকে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার ছাড়িয়ে তা ৫২ দশমিক ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বুধবার সকালে পানি কিছুটা কমে তা বিপদসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির নীচে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার রোপা ও আমন ধানের চারা।
আকস্মিক তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তিস্তাপারের মানুষ। সম্প্রতি কয়েক দফা বন্যার ধকল কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আবারো বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন তারা। তিস্তার পানি দ্রুত হ্রাস না পেলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে তারা জানিয়েছেন। গেল দুই মাসে তিনটি বন্যা পরিস্থিতির ধকল এখনও কাটিয়ে ওঠতে পারিনি তিস্তা পাড়ের লোকজন।
হাতীবান্ধা উপজেলার হলদিবাড়ী গ্রামের কৃষক সাদেকুল ইসলাম বলেন, আমার ৫ বিঘা জমির রোপা-আমন ধানের চারা পানির নীচে তলিয়ে গেছে। সময়মতো বানের পানি নেমে না গেলে রোপা-আমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তিনি বলেন, অসময়ে আমরা আরো একটি বন্যা পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। আর এ ফসল নষ্ট হয়ে গেলে আমরা দুর্বিসহ জীবনে পড়ে যাবো।
হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তার চর গড্ডিমারী মমিনুর রহমান বলেন, আকস্মিক তিস্তা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় আমাদের বাড়ি-ঘর বানের পানির নীচে তলিয়ে গেছে। বাড়ি-ঘর ছেড়ে গবাদি পশু-পাখি আর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আমরা কোনোরকমে নিরাপদ আশ্রয়ে ঠাঁই নিয়েছি।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিধুভূষণ রায় জানান, তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায় তিস্তাপারের নিম্নাঞ্চল ও বিস্তীর্ণ চর এলাকার রোপা-আমন ও সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে রোপা-আমনের তেমন ক্ষতি হবে না, তবে সবজির ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফজলে করিম জানান, মঙ্গলবার রাতে তিস্তার পানি অনেক বেড়ে ছিলো। তবে সকাল আটটার দিকে পানি কিছুটা হ্রাস পেলেও, সাড়ে নয়টা থেকে আবারো পানি বাড়ছে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft