শিরোনাম: চুনোপুঁটি নয়, রাঘব বোয়ালদের ধরুন : রব       মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান : নাসিম       অবৈধ টাকার মালিকদের কাউকেই ছাড়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী        ‘খড়কুটো আঁকড়ে ধরা ঐক্যফ্রন্ট জনগণের সাড়া পাচ্ছে না’       নজরদারিতে দিল্লির ৪ শতাধিক স্থাপনা       ‘দুদক মানুষের শতভাগ আস্থা অর্জন করতে পারেনি’       পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলি, নিহত ১৬       দেশে এখন ভানুমতির খেল চলছে : রিজভী       তুরস্কের অভিযানের মুখে সরতে রাজি কুর্দি       দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া দুর্নীতির আওতামুক্ত নয় : মাহবুব তালুকদার      
হাঁটু-কনুইয়ের যত্ন নিচ্ছেন তো?
কাগজ ডেস্ক :
Published : Monday, 16 September, 2019 at 4:49 AM
হাঁটু-কনুইয়ের যত্ন নিচ্ছেন তো?মুখ, গলা বা পিঠের যত্ন নিয়ে যতটা ভাবি, তার কিঞ্চিৎমাত্রও বরাদ্দ রাখি না হাঁটু আর কনুইয়ের জন্য। এমনকী ম্যানিকিওর-পেডিকিওর করালেও হাঁটু-কনুই বাদই রয়ে যায়। আর তাই কালো ছোপ পড়ে যায় সেখানে, নিয়মিত পরিস্কার না করলে এই কালো অংশটা ক্রমশ সাদাটে হয়ে মৃত চামড়া উঠে। কিন্তু প্রত্যেকদিন গোসলের সময়ে যদি সামান্য একটু সময় বরাদ্দ রাখেন কনুই আর হাঁটুর জন্য, তা হলেই বাড়বে আপনার হাত ও পায়ের সৌন্দর্য। জানতে চান তা কীভাবে সম্ভব?
প্রথমেই আপনার যে জিনিসটা চাই, তা হলো ঝামা পাথর বা পামিস স্টোন। আজকাল এমন সাবানও কিনতে পাওয়া যায় যার মধ্যে ঝামা পাথরের গুঁড়ো মিশ্রিত থাকে। তেমন একটা কিছু হাতের কাছে রাখলে আপনি চট করে কনুই আর হাঁটুতে জমে ওঠা মৃত চামড়া সাফ করে ফেলতে পারবেন। গোসলের সময়ে যখন গায়ে সাবান মাখছেন, তখনই এই অঙ্গগুলিও ঘষে নিন প্রত্যেকদিনই। তা হলে একদিনে বাড়তি চাপ পড়বে না।
গোসলের পর আপনি গোটা শরীরে ময়েশ্চরাইজার লাগান নিশ্চয়ই? কিন্তু এই দু’টি জায়গায় সাধারণ ময়েশ্চরাইজ়ার চলবে না – এমন কিছু বেছে নিন যার ঘনত্ব বেশি। রাতে শোওয়ার আগে পুরু এক পরত ক্রিম অবশ্যই লাগিয়ে নেবেন।
হাঁটু ও কনুইয়ে দীর্ঘদিন ধরে মৃত কোষ জমতে থাকলেই তার রং কালো হতে আরম্ভ করে। তাই মৃত চামড়া নিয়মিত পরিষ্কার হলেই রঙের পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন।
তা ছাড়াও দুধের সর, পাতিলেবুর রস, ময়দা আর মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগিয়ে রাখতে পারেন। লেবুর রস ব্লিচ হিসেবে কাজ করে কালো ছোপ সরাতে সাহায্য করে, বাকি তিনটি উপাদান জোগায় আর্দ্রতা। শুকিয়ে গেলে উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নিয়ে ভালো করে ক্রিম লাগিয়ে নিন। যাঁদের হাঁটু বা কনুইতে ভর দিয়ে বসার অভ্যেস আছে, তাঁরা এবার থেকে একটু সতর্ক থাকার চেষ্টা করুন। এই দু’টি জায়গায় যত বেশি চাপ পড়বে, তত বাড়বে কড়া পড়ার আশঙ্কাও।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft