শিরোনাম: বিএনপি-জামায়াত ভাসানীকে ব্যবহার করতে চেয়েছিল : মেনন       বর্তমান সরকার শিল্পবান্ধব : শিল্পমন্ত্রী       ‘ক্লিনিকগুলোতে সার্বক্ষণিক প্রসব সেবা চালু করা হবে’       নতুন আইনের উদ্দেশ্য সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো       মতপার্থক্য চরমে: রাজ্যসভায় বিজেপির বিরোধী শিবসেনা       বাবরি মসজিদ : রায় বাতিল চেয়ে রিভিউ করবে মুসলিম ল বোর্ড       পেঁয়াজের মৌসুমে আমদানি বন্ধের চিন্তা       পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছে সরকারের মদদপুষ্ট ব্যবসায়ীরা : ফখরুল       ‘বিএনপি পেঁয়াজে আশ্রয় নিয়েছে’        গোটাবায়া রাজাপাকসের জয়      
পীরগঞ্জের করাত কলগুলো সরকারি বিধিমালা না মেনেই চলছে
এন এন রানা, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :
Published : Wednesday, 11 September, 2019 at 3:12 PM
পীরগঞ্জের করাত কলগুলো সরকারি বিধিমালা না মেনেই চলছে করাত কল বিধিমালা ২০১২’তে বলা আছে, কোন সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, উদ্যান এবং জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে এমন স্থান থেকে কমপক্ষে ২০০ মিটার এবং সরকারি বন ভূমির সীমানা হতে কমপক্ষে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে করাত কল স্থাপন বা পরিচালনা করা যাবে না। কিন্তু পীরগঞ্জ উপজেলায় এর কোন নিয়মনীতিই মানছে না করাত কল মালিকরা। সরেজমিনে দেখা যায়, পীরগঞ্জ পৌর ভবনের সামনে এবং ফানসিটি শিশুপার্ক ঘেষে গড়ে উঠেছে দুইটি করাত কল। এছাড়াও গুয়াগাঁও এলাকায় মাদ্রাসার পাশে পরিচালিত হচ্ছে ৪টি করাত কল, পীরগঞ্জ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে আরো একটি এবং সাগুনী শালবনের তিন কিঃমিঃ এর মধ্যে পীরগঞ্জ পৌর শহরের নেতার মোড় এলাকায় রয়েছে একটি করাত কল। শহরের ব্যস্ততম জাবরহাট সড়কের শিমুলতলায় ১টি, মিত্রবাটিতে ১টি এ ছাড়াও উপজেলার পীরগঞ্জ টু ঠাকুরগাঁও সেনুয়া এলাকায় রয়েছে দুটি করাত কল ও উপজেলার বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে করাত কল। পৌর শহরের বিনোদকেন্দ্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তার পাশে এইসব করাত কল পরিচালিত হওয়ায় কাঠের গুঁড়ো চোখে পড়ে পথচারীদের চলাচলে বিঘœতা সৃষ্টি করছে। মুনসুর আহমেদ নামে এক পথচারী বলেন, “পার্কে শিশুরা খেলাধুলা করে। কাঠের গুঁড়া বাতাসের সঙ্গে শিশুদের নাকে ঢুকে যায়, চোখেও যায়।” করাত কলগুলো শহরের বাইরে স্থাপন করার দাবি জানান তিনি। স্থানীয়  আব্দুল করিম, বাদল আলী,ফাত্তাহু মন্ডল বলেন, করাত কল মালিকরা রাস্তার পাশে গাছের গুঁড়ি ফেলে রাখার কারণে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটছে।এবিষয়ে পীরগঞ্জ উপজেলা বন কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেব বলেন,‘পীরগঞ্জ উপজেলায় ৩৮টি করাত কল রয়েছে। এর মধ্যে ৩২টি করাতকলের লাইসেন্স আছে। ইতিমধ্যে বাকিগুলোকে লাইসেন্স করার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তারপরেও এখন পর্যন্ত কেউ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেনি। নানা অজুহাত দেখিয়ে তারা করাত কল পরিচালনা করছেন।’ পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ বলেন,যাদের কাগজ পত্র নেই লাইসেন্স নেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবং যারা নিয়মনীতি না মেনে পরিচালনা করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft