শিরোনাম: শামীম যুবলীগের কেউ নন : ওমর ফারুক       শামীমের নামে ২০০ কোটি টাকার এফডিআর!       যুবলীগের দাপুটে কেন্দ্রীয় নেতা শামীম ৬ দেহরক্ষীসহ আটক       ঢাকার সেই ক্যাসিনোতে যা হতো রাতের আধাঁরে       ভালুকায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন       বিয়ের প্রলোভনে প্রতিবন্ধী কিশোরীর সর্বনাশ       খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বরিশালে যুবদলের পৃথক মানববন্ধন       আওয়ামী লীগের অনেকেই নজরদারিতে রয়েছেন : কাদের       কাশ্মীরীদের রাখা হয়েছে ৭শ কিলোমিটার দূরের বন্দি শিবিরে       রামেক হাসপাতালে আরো ৯ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি      
নরসিংদীতে ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা
নরসিংদী সংবাদদাতা :
Published : Wednesday, 11 September, 2019 at 3:12 PM
নরসিংদীতে ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যানরসিংদীতে ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে রুহুল আমিন নামে এক রং ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।
বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সঙ্গিতা জবা মিল এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত রুহুল আমিন (২২) সঙ্গিতা এলাকার বিল্লাল মিয়ার ছেলে। সে রং এর ব্যবসা করতো।
প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। এদিকে রুহল নিহতের খবরে তার পরিবারের শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের কান্নায় হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সংগিতা এলাকায় ডিস ব্যবসা করে আসছিল স্থানীয় সারোয়ার হোসেনের ছেলে তানজিল ও ছোটন।
সম্প্রতি নিহত রুহুল তার নিজ এলাকায় ডিস ব্যবসা করতে চেয়েছেন। সেই অনুসারে রুহুল ৪ শতাধিক ডিস লাইন দেয়ার কথা জানিয়েছিলো তানজিলকে। এনিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরী হয়। এরই জের ধরে বুধবার ১১টার দিকে তানজিল হৃদয়,ছোটন ও মনির রুহুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আসে। পরে জবা ট্রেক্সটাইল মিল সংলগ্ন একটি মাঠে নিয়ে যায়। পরে কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে রুহুলকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এসময় সে মাটিতে লুটিয়ে পরে। পরে তার আত্মচিৎকারে আশ-পাশের লোক এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাবী সাথী বলেন,রুহুল বাড়িতেই ছিল। তারা তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। একটু পর তার মৃত্যুর খবর পাই। আমরা সন্ত্রাসীদের বিচার চাই।
নিহতের ভাই শরিফুল বলেন, ছোটনের সাথে রুহুলের পার্টনারে ব্যবসা ছিল। কিন্তু ছোটন রুহুলকে কোন লাভ দিতো না। সে একাই সব করতে চেয়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে তানজিল হৃদয়, ছোটন ও মনির আমার ভাই রুহুলকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে হত্যা করে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত সালাউদ্দিন বলেন,মূলত নিহত রুহুল ডিস ব্যবসায় পার্টনার হতে চেয়েছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরী হয়। এরই জেরে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft